ঢাকা | জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ - ১:৪৪ পূর্বাহ্ন

সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে এল ১১৮৮ টন ভারতীয় চাল

  • আপডেট: Thursday, January 29, 2026 - 10:40 pm

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: দীর্ঘ পৌণে দুই মাস পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে আবারও চাল আমদানি শুরু হয়েছে। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত মোট ১ হাজার ১শ ৮৮ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান। তিনি জানান, আমদানির অনুমতি পাওয়ার পর ২৪ জানুয়ারি প্রথম দফায় ৭টি ট্রাকে ৩১৯ মেট্রিক টন চাল আসে।

এরপর ২৭ জানুয়ারি ৫ ট্রাকে ২২০ মেট্রিক টন এবং ২৮ জানুয়ারি ১৫টি ট্রাকে ৫৯৭ মেট্রিক টন বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত একটি ট্রাকে ৫২ মেট্রিক টন চাল বন্দরে প্রবেশ করেছে। সোনামসজিদ স্থলবন্দর কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হুমায়ন কবির জানান, বন্দর পর্যন্ত প্রকার ভেদে আমদানি করা এসব চালের প্রতি কেজিতে গড় ব্যয় পড়েছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা।

সোনামসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ জানান, সর্বশেষ গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এই বন্দর দিয়ে ৫৬৩ দশমিক ৭ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

এর আগে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়ার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ২টি ভারতীয় ট্রাকে ৬০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। গত ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দুটি ট্রাকে পেঁয়াজ বন্দরে এসে পৌঁছায় বলে নিশ্চিত করেছেন বন্দর পরিচালনাকারী বেসরকারী অপারেটর প্রতিষ্ঠান পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান। আমদানিকারক দুই প্রতিষ্ঠান হল চাঁপাইনবাবগঞ্জের ওয়েলকাম এন্টারপ্রাইজ ও গৌড় ট্রেডার্স।

সোনামসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র উপ-পরিচালক (ডিডি) কৃষিবিদ সমীর চন্দ্র ঘোষ ওই সময় জানিয়েছিলেন, সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বা আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) ইস্যূর ঘোষণা দেয়। এরপর কৃষি মন্ত্রণালয় দেশের ৫০ জন আমদানিকারকের প্রত্যেককেই ৩০ টন করে ১ হাজার ৫০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এরমধ্যে সোনামসজিদের আমদানিকারক রয়েছেন ৩০ জন। তাদের ৯০০ টন আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে।

প্রতিদিন সকল বন্দরের জন্য দেড় হাজার টন আমদানির অনুমতি দেয়া হবে। প্রতিটি আইপি’র মেয়াদ আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত। অর্থাৎ পরবর্তী কোন নির্দেশনা না আসলে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত এভাবে আমদানি অব্যহত থাকবে। গত ৯ সেপ্টেম্বর এই বন্দর দিয়ে শেষবারের মত পেঁয়াজ আমদানি হয় বলেও জানান ডিডি সমীর চন্দ্র ঘোষ।