ঢাকা | জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ - ৫:০৮ পূর্বাহ্ন

কেশরহাটে ভাড়াটিয়ার সাথে মারপিট করলেন শিক্ষক

  • আপডেট: Sunday, January 25, 2026 - 12:01 am

এফএনএস: রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ভাড়াটিয়াকে মারপিট করে দোকানঘর চুক্তিপত্রের নন জুডিশিয়্যাল স্ট্যাম্প নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে ভাড়াটিয়া মোহনপুর উপজেলার বেলনা গ্রামের মৃত আবুল হাসান ছেলে নজরুল ইসলাম (নিজাম) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দেড় দুই বছর পূর্বে কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় পূবালী ব্যাংকের পিছনে একটি দোকানঘর একশত টাকা মূল্যের তিনটি নন জুডিশিয়্যাল স্ট্যাম্প মাধ্যমে জামানত হিসেবে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা প্রদান করে মাসিক ১ হাজার ৪০০ টাকা ভাড়া চুক্তি হয়। উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে উপজেলার বাকশৈল গ্রামের আলহাজ্ব মহির উদ্দিন ছেলে মনির কাছে চুক্তিপত্রটি জমা রাখেন।

দোকানঘর মেরামত করে নিজামকে দেয়া কথা থাকলেও দীর্ঘ সময় ধরে দোকানঘরটি বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। গত ২১ জানুয়ারি বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টার সময় কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় গেটের সামনে রাজশাহী-নওগাঁ-মহাসড়কের পাকা রাস্তার পাশে চুক্তিনামার ফটোকপি ও দোকানঘর বুঝিয়ে দিতে বললে প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম উত্তেজিত হয়ে ভাড়াটিয়া নিজামকে লোকজনের সামনে মারপিটের পর হুমকি প্রদান করে মনির কাছে রাখা চুক্তিপত্রের স্ট্যাম্প নিয়ে যায়।

ভাড়াটিয়া নজরুল ইসলাম বলেন, আমি চুক্তিমানা ও দোকানঘর বুঝিয়ে দেয়ার কথা বললে বিভিন্ন টাল বাহনা করতে থাকে প্রধান শিক্ষক। গত ২১ জানুয়ারি আমাকে চুক্তিনামার ফটোকপি না দিয়ে মারপিট করে লোকজন দ্বারা হুমকি প্রদান করে স্ট্যাম্প নিয়ে যায় প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম। দোকানঘর বুঝিয়ে পাওয়াসহ দোকানঘর বন্দোবস্তের স্ট্যাম্প উদ্ধার জন্য স্কুল কমিটির সভাপতি হস্তক্ষেপ কামনা করে অভিযোগ দায়ের করেছি।

মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ফাহিমা বিনতে আখতার বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ভাড়াটিয়া নিজাম আমার বিরুদ্ধে যেসকল অভিযোগ তুলেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। একটি পক্ষ আমার ও স্কুলের মান সম্মান ক্ষুণ্ন করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন।