পাবনায় আবারও কুকুর কান্ড!
পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীতে বস্তায় ভরে পানিতে ফেলে ৮টি কুকুর ছানা হত্যার রেশ কাটতে না কাটতে শহরের কাচারীপাড়ার কদমতলা এলাকায় তিনটি কুকুরকে বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী কুকুর মালিকের। তবে পুলিশের দাবি মামলার শর্তাবলী পুরন না হওয়ায় মামলা নেয়া হয়নি।
থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাবনা শহরের কাচারীপাড়ার কদমতলায় এলাকার হারুনর রশিদের পোষা তিনটি কুকুর ছিল। যার মধ্যে দুইটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী কুকুর। গত মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে কুকুর তিনটির চিৎকারে ঘুম ভেঙে যায় কুকুর মালিক হারুনর রশিদের।
হারুনর রশিদ জানান, তিনি ঘুম থেকে উঠে এসে দেখেন কুকুর তিনটি যন্ত্রণায় ছটফট করছে। স্থানীয় পশু ডাক্তারকে খবর দিলে ডাক্তার এসে কুকুর তিনটিকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানান বিষক্রিয়ায় কুকুর তিনটি ছটফট করছে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টার দিকে দুইটি এবং দুপুর দেড়টার দিকে অপর একটি কুকুর মারা যায়।
এ ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের অভিযুক্ত করে গত মঙ্গলবার রাতে পাবনা সদর থানায় একটি অভিযোগ দেয়া হয়। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন বলেন, মামলা না নেয়ার কোন কারণ নেই। মামলার শর্তাবলী পূরণ না হওয়ায় মামলা নেয়া হয়নি। তারা শর্তপূরণ করে আসলেই মামলা নেয়া হবে।
ওসি আরো বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার সকালে একজন পুলিশ অফিসার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এসেছেন। সিসি টিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে কুকুর হত্যাকারীকে শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
কুকুর মালিক হারুনর রশিদ বলেন, আমরা পশুপ্রাণী নিয়ে কাজ করছি। থানা মামলা না নেয়ায় আমরা হতাশ হয়েছি। আমরা চাই কুকুর হত্যাকারীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক।
তিনি কান্নাজড়িত কন্ঠে আরো বলেন, কুকুরদের আমরা সেভাবে দেখিনা। ওই কুকুর তিনটি ছিল আমার আদরের। আমাকে দেখলেই ওরা ছুটে আসতো, ওদের দেখে আমার ভালো লাগতো। আমি এই হত্যার বিচার চায়।











