ঢাকা | জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ - ৫:০৪ পূর্বাহ্ন

রাণীনগরে আমন চাল সংগ্রহ অভিযান সম্পন্ন

  • আপডেট: Wednesday, January 14, 2026 - 10:00 pm

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে চলতি আমন চাল সংগ্রহ অভিযান নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় চুক্তিবদ্ধ মিলাররা ধান মাড়াই করে কিছুটা আগেই সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চাল দেয়া সম্পন্ন করেছে। বাজার দরের সাথে সরকারি মূল্যের কিছুটা কমবেশি থাকলেও চাল দিতে তারা ব্যর্থ হয়নি।

বিগত কয়েক বছর ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানে ব্যর্থতার নজির থাকলেও এবছর চাল সংগ্রহের রাণীনগর খাদ্য বিভাগ বেশ চমক দেখিয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক ভোটের আগেই সংগ্রহ অভিযান শেষ করতে বলা হয়।

তবে মিলারদের সাথে চুক্তিবদ্ধ করার সময় চাল সরবরাহের শেষ তারিখ ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকলেও খাদ্য বিভাগের তাগাদার কারণে কিছুটা আগেই বুধবারে রোপা-আমন চাল সংগ্রহ অভিযান সম্পন্ন করা হয়। তবে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের পরিমাণ খুব একটা সন্তোষজনক নয়। এখন পর্যন্ত অর্ধেক পরিমাণ ধান কিনতে পারেনি খাদ্য বিভাগ।

জানা গেছে, উপজেলায় চলতি রোপা-আমন মৌসুমে প্রায় সাড়ে ১৯হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়। কাটা-মাড়াই মৌসুমের শুরুতেই রোপা-আমন ধান জাত ভেদে প্রতিমন স্বর্ণা-৫ জাতের ধান, ১১শ’ থেকে ১১শ’ ৪০টাকা। বিআর-৪৯ জাতের ধান প্রতিমন ১২শ’ ৫০ থেকে ১২শ’ ৮০ টাকা পর্যন্ত বেচাকেনা হয়। তবে সময়ের ব্যবধানে ধানের বাজারদর উঠানামা করে।

উপজেলায় এবার রোপা-আমন মৌসুমে রাণীনগর উপজেলায় ৫০ টাকা কেজি দরে ৮শ’ ৭৭ মেট্রিকটন চাল এবং ৩৪টাকা কেজি দরে ১৯১ মেট্রিকটন ধান কেনার লক্ষ্য মাত্রা নিধারণ করা হয়। সেই মোতাবেক খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহের জন্য খাদ্য বিভাগের সাথে তালিকাভুক্ত ৩০ জন মিলার চুক্তিবদ্ধ হয়ে সরকারি নির্ধারিত সময়ের আগেই মান সম্পন্ন চাল ক্রয় কেন্দ্র দিয়ে দেয়। রাণীনগর চাল কল মালিক সমিতির সহ-সভাপতি আসাদুল সাকিদার জানান আমি রোপা-আমন চাল সংগ্রহের জন্য খাদ্য বিভাগের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আমার মিলের অনুকূলে ৩৫ মেট্রিকটন চাল দেয়া হয়। লাভ লোকসানের দিকে না তাকিয়ে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক নির্ধারিত সময়ের আগেই গুদামে চাল দেয়া সম্পন্ন করেছি।

তবে এবার কিছু লাভ হয়েছে। রাণীনগর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ওবাইদুর রহমান জানান, ইতিমধ্যে রোপা-আমন চাল সংগ্রহ অভিযান নির্ধারিত সময়ের আগে গতকাল বুধবার শেষ হয়েছে। ভোটের আগেই সংগ্রহ অভিযান সম্পন্ন করতে হবে এমন নির্দেশনা থাকায় চুক্তিবদ্ধ মিলারদের সহযোগিতা নিয়ে কিছুটা আগেই চাল সংগ্রহ অভিযান শতভাগ শেষ করলাম। তবে ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে খুব বেশি এগুতে পারেনি।