ডিলারের কাছে মিলল ১৭১ বস্তা অবৈধভাবে মজুদ সরকারি সার
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বিসিআইসি ডিলার, বিএডিসি ডিলার ও খুচরা সার ডিলারের লাইসেন্স ছাড়াই সরকারি সার বিক্রির অভিযোগে বালাইনাশক ডিলার নুরুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত রোববার বিকেলে উপজেলার কসবা ইউনিয়নের গোলাবাড়ি বন্ধু বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের সময় নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গোলাম রব্বানী সরদার জানান, সরকারি বরাদ্দের সার ওই ডিলার নিজ গোডাউনে অবৈধভাবে মজুদ করে রেখেছিলেন। তিনি সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৩০০ টাকা বেশি দামে সার বিক্রি করে আসছিলেন।
এ ছাড়া মেমো চাইলে তিনি মেমো দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং ক্রেতাদের বলেন, সার নিতে চাইলে নিন, না চাইলে নেবেন না, তবে মেমো দেয়া হবে না। এ ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে নাচোল উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা রাজিয়া এ অভিযান পরিচালনা করেন।
তিনি বলেন, অবৈধভাবে সার বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে সার (ব্যবস্থাপনা) আইন অনুযায়ী মেসার্স ওয়াদুদ ট্রেডার্সের ডিলারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দকৃত ১৭১ বস্তা সার কৃষি অফিসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
অভিযানের সময় উপজেলা কৃষি অফিসার সলেহ্ আকরাম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম, উদ্ভিদবিদ আমিনুল ইসলাম, কসবা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা এস. মোহাম্মদ ও থানার এসআই মো. তারেকসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, ডিলারের কাছ থেকে লাইন ধরে সার নিতে হয়, কিন্তু অনেক সময় সার পাওয়া যায় না। ফলে অনেক কৃষক সার ছাড়াই ফসল চাষ করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকে বলেন, যখন কৃষকরা সার সংকটে ভুগছেন, ঠিক তখনই কিছু অসাধু ডিলার অতিরিক্ত মুনাফার আশায় সরকারি মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার সলেহ্ আকরাম বলেন, আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, সরকারি সার সরবরাহ ও বিতরণ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে মনিটর করা হয়। প্রতিটি ইউনিয়নে ডিলারদের কার্যক্রম তদারকির জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেয়া আছে। কোথাও অনিয়ম ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হয়। কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে সার কালোবাজারে বিক্রি করে, তা










