ঢাকা | জানুয়ারী ৯, ২০২৬ - ৫:৩৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম

শীত উপেক্ষা করেই ইরি-বোরো রোপণে ব্যস্ত কৃষক

  • আপডেট: Thursday, January 8, 2026 - 9:26 pm

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরের নিন্মাঞ্চলে ইরি-বোরো ধান রোপণ করতে শুরু করেছে কৃষক। প্রচণ্ড ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে ইরি-বোরো ধান লাগানো উপযোগী ফাকা জমিগুলোতে স্বল্প পরিসরে ধান লাগানো শুরু হয়েছে। বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় এই এলাকার কৃষকরা জমি চাষ শুরু করলেও পুরোদমে ইরি-বোরো ধান রোপণের আর কিছুটা সময় লাগবে। কৃষি বিভাগ বলছে, উপজেলার মিরাট ইউনিয়নে বিলঅঞ্চল হওয়ায় পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে এই এলাকার চাষিরা কিছুটা আগে ধান লাগানো শুরু করে।

জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে বন্যার পানি নেমে যাবার সাথে-সাথে কৃষকরা তরিঘড়ি করে মাঠে নামেন বীজতলা তৈরি করার জন্য। চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে রাণীনগর উপজেলায় ১৯ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান রোপণের লক্ষ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৯৯০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগের জোড়ালো নজদারী আর কৃষকদের সচেতনতার কারণে ঘন কুয়াশা আর ঠাণ্ডার মধ্যে রোগ বালায় মুক্ত রয়েছে বীজতলা। উপজেলার মিরাট, হরিশপুর, ধনপাড়া, মেরিয়া, কুনৌজ, বড়খোল, আতাইকুলাসহ প্রায় বেশ কিছু এলাকায় ইরি-বোরো ধান রোপণে কৃষক এখন মাঠে। উপজেলার হরিশপুর গ্রামের কৃষক হাফিজুর রহমান জানান, এ বছর আমি প্রায় ১০ বিঘা জমিতে ইরি-বোরা ধান লাগাবো। প্রচণ্ড শীতের কারণে শ্রমিকরা ধান লাগাতে পারছে না। তার পরও আমি আমি ৩ বিঘা জমিতে ধান রোপণ করেছি। বাকি জমি তৈরি থাকলেও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কয়েদিন পর লাগাবো।

রাণীনগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ জাহিদুল ইসলাম জানান, চলতি ইরি- বোরো মৌসুমে উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে প্রায় ১৯ হাজার হেক্টর জমিতে ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে স্বল্প পরিসরে ধান লাগানো শুরু হয়ে। ঘন কুয়াশা এবং ঠাণ্ডার কারণে আপাতত চাষিদের ধান লাগানো নিষেধ করছি। আবহাওয়া ভালো হলে চাষিরা পুরোদমে ধান লাগানো শুরু করবে। বীজতলায় রোগ-বালায় দমনের জন্য আলোকফাঁদ সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ ও কৃষকরা কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুসরণ করায় ধানের চারাগুলো রোগমুক্ত রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ হবে বলে তিনি জানান।