বাঘায় হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম, মামলা হলেও আসামি গ্রেপ্তার হয়নি
বাঘা প্রতিনিধি: স্থানীয়ভাবে মিমাংসার একদিন পর হত্যার উদ্দেশ্যে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মামুন হক (৩৮) নামে এক ব্যক্তির মাথার ডান পাশে আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আহত মামুন হক বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের গঙ্গারামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জলিল সরকারের ছেলে।
ঘটনার সময় স্থানীয় মোখলেস, আসাদুল ইসলাম, জামাল আলীসহ আরো লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীরা বিভিন্ন ধরনের গালিগালাজ, ভয়ভিতী, হুমকি প্রদান করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে (মামুন) বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তার মাথায় ১১টি সেলাই প্রদান করে।
গত বুধবার সকালে উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের গঙ্গারামপুর গ্রামের আশাদুলের দোকানের সামনে ঘটনা ঘটে। পরে গঙ্গারাম গ্রামের জয়নাল আবেদিন (২২) জিয়াউল হক (৪৮), আশরাফুল ইসলামসহ (৬০), কয়েকজনের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় মামলা করেন মামুন হক।
মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ঘটনার দুই দিন আগে গত সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় আসামি জয়নাল আবেদিন পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মনিগ্রাম বাজারে গরু জবাই করার ছুরি নিয়ে মামুন হককে মারার জন্য বাজারের বিভিন্ন যায়গায় খুঁজে বেড়ায়। বিষয়টি জানতে পেরে বাজারের লোকজন তাকে থামিয়ে তার কাছে থাকা ছুরিটি কেড়ে নিয়ে মনিগ্রাম বাজারস্থ আমিনুর ডাক্তার-এর দোকানে রাখে।
পরের দিন গত মঙ্গলবার গ্রাম্য শালিস-এর মাধ্যমে মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ মুকুলের নেতৃত্বে এলাকার লোকজন বসে বিষয়টি মিমাংসা করে দেন। মিমাংসা শেষে মামুন হক বাড়িতে চলে আসেন। গত বুধবার সকাল অনুমান ৯টায় গঙ্গারামপুর গ্রামের আসাদুল-এর বাড়ির সামনে কাচা রাস্তার উপর মামুন হক ও তার ভাগ্নে জামাই মখলেসের বাড়ি করার বিষয়ে পরামর্শ দেয়ার সময় জয়নাল আবেদিন হুকুম দিলে অন্যান্য আসামিরা চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর ও কুপিয়ে জখম করে।
মামুন হক অভিযোগ করেন, মামলা হলেও আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে পুলিশের কোনো তৎপরতা নেই। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জামিল হোসেন জানান, আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।











