বাঘায় বিএনপির ৫ নেতাকে কুপিয়ে জখম

বাঘা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘায় জামিল হোসেন (৫২) নামের বিএনপির নেতার স্ত্রীকে চাইনিস কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে জখমের অভিযোগে সৈকত হোসেন শাওনকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সৈকত হোসেন শাওন বাউসা ইউনিয়নের ছাত্রলীগের নেতা ও হরিনা বিনিময়পাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। আহত জামিল হোসেন এর স্ত্রী দিলরুবা ডলি (৩৭), ও মনিরুল ইসলাম (৩৫),একই গ্রামের নুরুাবুল সরকারের ছেলেসহ ৫ জন বিএনপি নেতা আহত হয়।
জানা গেছে, পূর্বের জের ধরে উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। এর জেরে সোমবার রাতে রাজশাহী বিএনপির সমাবেশ করে বাড়ি ফিরার পথে রাত ৮টার দিকে জামিল হোসেনের বাড়ির সামনে ছাত্রলীগ নেতা সৈকত হোসেন শাওনসহ ২৩ জনের একটি দল বাঁশের লাঠি, লোহার রড়, চাইনিল কুড়াল, রামদা নিয়ে হামলা করা হয়।
এ হামলায় গুরতর আহতরা হলেন- বাউসা ইউনিয়ন বিএনপির ৭নং ওয়ার্ডের সভাপতি জামিল হোসেনর স্ত্রী দিলরুবা ডলি, নুরাবুল সরকারের ছেলে বিএনপির নেতা মনিরুল ইসলাম, বুলবুল সরকার এর ছেলে মশিউর রহমান (৩৫), জামিল হোসেন, শাহিন আলী। আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করা হয়েছে।
এর মধ্যে আশঙ্কা রয়েছেন মনিরুল ইসলাম তার মাথায় ২০ টি সেলাই ও দিলরুবা ডলি মাথায় ৮টি সেলাই দেয়া হয়।
এ ঘটনায় জামিল হোসেন বাদি হয়ে সৈকত হোসেন শাওনসহ ৮ জনের নামে ও অজ্ঞাত আরও ১৫ জনের নামে বাঘা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সৈকত হোসেন শাওনকে বাঘা থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি আ.ফ.ম আসাদুজ্জামন বলেন, সৈকত হোসেন শাওনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।