ঢাকা | এপ্রিল ৪, ২০২৫ - ১১:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম

রুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি সম্পাদকসহ ৪৮ জনের শাস্তি

  • আপডেট: Wednesday, February 26, 2025 - 9:00 pm

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ৪ জনের আজীবন ছাত্রত্ব বাতিলসহ মোট ৪৮ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

জুলাই অভ্যুত্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এবং পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক। বহিষ্কৃতদের মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রুয়েট শাখার সভাপতি ফাহমিদ লতিফ লিয়ন ও সাধারণ সম্পাদক সৌমিক সাহাসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীরা রয়েছেন।

আজীবন বহিষ্কৃতরা হলেন- নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রুয়েটের সভাপতি ও পুরকৌশল বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী ফাহমিদ লতিফ লিয়ন, সাধারণ সম্পাদক ও সি.এস.ই বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী সৌমিক সাহা, যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০১৯-২০২০ সেশনের শিক্ষার্থী শাশ্বত সাহা সাগর, পুরকৌশল বিভাগের ২০১৯-২০২০ সেশনের শিক্ষার্থী মৃন্ময় কান্তি বিশ্বাস।

এছাড়াও রুয়েটের প্রকৌশল শাখার সহকারী প্রকৌশলী নাঈম রহমান নিবিড়, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ডাটা প্রসেসর মহিদুল ইসলাম, শিক্ষা শাখার সাব-এসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার এ.কে.এম. আনোয়ারুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রুয়েটের সংশ্লিষ্ট ফোরামে অনুরোধ করা হয়েছে।

গত ১৯ আগস্ট ২০২৪-এ অভিযানের প্রেক্ষিতে প্রাপ্ত রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে হলের বিভিন্ন কক্ষে অস্ত্র ও মাদকসহ নিষিদ্ধ দ্রব্যাদি রাখার দায়ে আপাতত আবাসিক হল থেকে বহিষ্কার ও তদন্ত কমিটি গঠনপূর্বক পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

অপরদিকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় দুই শিক্ষার্থীকে ৪ সেমিস্টার বা ২ শিক্ষাবর্ষের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক ও ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রুয়েট প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে। এসব অভিযোগ যাচাই করে দেখা যায়, অভিযুক্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত যে অর্ডিন্যান্স রয়েছে সেটির ধারা লঙ্ঘন করেছেন। এজন্য ৪ শিক্ষার্থীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। আরও ২ জনকে ৪ সেমিস্টার বা ২ শিক্ষাবর্ষের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এর বাইরে গত ১৯ আগস্ট ২০২৪-এ অভিযানের প্রেক্ষিতে প্রাপ্ত রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে ৪২ জনকে আবাসিক হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।