ঢাকা | জুলাই ১৩, ২০২৪ - ১০:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

ককটেল আস্তানায় পুলিশের হানা, ৩৮টি বিস্ফোরণ

  • আপডেট: Wednesday, July 10, 2024 - 11:14 am

অনলাইন ডেস্ক: চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সালামসহ জোড়া খুনের ঘটনায় শিবগঞ্জের নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের ঢোড়বোনা এলাকার ককটেল আস্তানায় হানা দিয়ে ৩৮টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে পুলিশের বোম ডিস্পোজাল ইউনিট। এ সময় সেখানকার কবরস্থান, আমবাগান ও সবজিখেতে মাটিতে পুঁতে রাখা প্লাস্টিকের বালতি থেকে এসব ককটেল উদ্ধার করে।

মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের বোম ডিস্পোজাল ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে তাজা ককটেলগুলো উদ্ধারের পর বিস্ফোরণ ঘটায়।

মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, চট্টগ্রাম থেকে এ মামলার ৪ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে আসামিদের নাম পরিচয় প্রকাশ করতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।

জাহাঙ্গীর আলম জানান, গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে চট্টগ্রামে অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। সেখান থেকে মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া চারজনই হত্যা মিশনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে দাবি করেন তিনি।

গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ সোমবার রাত ও মঙ্গলবার সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার ঢোরবোনা এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে ৩৮টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। ককটেলগুলো হত্যাকাণ্ডের সময় হত্যাকারীদের সঙ্গে ছিল তবে সেগুলো বিস্ফোরণের প্রয়োজন হয়নি। উদ্ধারের পর ককটেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ জুন জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার রানীহাটি এলাকায় খুন হন নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুস সালাম এবং তার সহযোগী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল মতিন। জোড়া খুনের ঘটনায় আব্দুস সালামের স্ত্রী ফেরদৌসী বেগম বাদী হয়ে বিএনপি নেতা ও নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আশরাফুল হকসহ ৫২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ মামলায় চেয়ারম্যান আশরাফের স্ত্রীসহ এখন পর্যন্ত মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে।

 

সোনালী/সা