ঢাকা | জুলাই ১৩, ২০২৪ - ৮:০৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

কার হাতে উঠবে ২০২৪ ইউরো?

  • আপডেট: Friday, June 14, 2024 - 6:32 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ থেকে শুরু হচ্ছে ইউরোপের সবচেয়ে জমজমাট আসরো ইউরো।  ৬৬ বছর আগে ১৯৫৮সালে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতার রয়েছে অন্য রকম জনপ্রিয়তা। জনপ্রিয়তা দিক থেকে বিশ্বকাপের পর এই আসরের অবস্থান। আজ থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের রাত জাগার পালা শুরু।ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর পর্তুগাল, কিলিয়ান এমবাপের ফ্রান্স, হ্যারি কেনের ইংল্যান্ড বা তিনবারের ইউরো জেতা স্পেন, ইউরোতে নজর কাড়ার মতো দেশের অভাব নেই। মিউনিখে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি জার্মানি এবং স্কটল্যান্ড।

এই প্রতিযোগিতা বরাবরই চমকে দিতে অভ্যস্ত। ২০০৪ সালে সবাইকে চমকে দিয়ে ট্রফি জিতেছিল গ্রিস। যুগোশ্লাভিয়া নির্বাসিত হওয়ার পর শেষ মুহূর্তে সুযোগ পাওয়া ডেনমার্ক অবাক করেছিল ১৯৯২ সালের ইউরো জিতে। এ বারও যে কোনও দেশ চমকে দিতে পারে। সবসময় বলা হয় ফুটবলকে অনিশ্চয়তার খেলা। ৯০মিনিটে ছোট দল বড় দল বলতে কিছু থাকে না এখানে।

২০০৬ সালে বিশ্বকাপ আয়োজন করা জার্মানি এ বার ইউরো কাপের আয়োজক। ১৮ বছর আগের সেই অভিজ্ঞতাই ফিরিয়ে আনতে চাইছে তারা। লক্ষ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই জড়ো হয়েছে সে দেশে। প্রতিটি স্টেডিয়ামই পূর্ণ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

গতবার রানার্স হওয়া ইংল্যান্ড এ বার ট্রফির দাবিদার হিসাবেই নামবে। তিন বছর আগে ইটালির বিরুদ্ধে অল্পের জন্য পেনাল্টি শুটআউটে মন ভেঙেছিল তাদের। ১৯৬৬ সালের পর ফুটবলে প্রথম বার কোনও বড় ট্রফি জিততে মরিয়া তারা। কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের অধীনে ইংল্যান্ড দলের অনেকটাই উন্নতি হয়েছে তার পর থেকে। জুড বেলিংহ্যাম, ফিল ফডেনরা তারকা হয়ে উঠেছেন। সঙ্গে হ্যারি কেন তো রয়েছেনই। গত বছর থেকে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে খেলছেন হ্যারি কেন। ৪৭টি ম্যাচে ৪৪টি গোলও করেছেন।

বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্স হারলেও ইউরোতে নতুন উদ্যমে নামছে তারা। কিলিয়ান এমবাপে বিশ্বকাপ, নেশন্স লিগ জিতলেও ইউরো কাপ জেতেননি। দলে এ বার অঁরেলিয়ে চুয়ামেনি, এডুয়ার্ডো কামাভিঙ্গার মতো তরুণ তারকা রয়েছেন।

এ বার ইউরোপের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আলাদা। রাশিয়ার ইউক্রেন ও ইজরায়েলের গাজার উপর হামলা নিয়ে এমনিতেই গোটা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পরিস্থিতি টালমাটাল। তার মধ্যেই আয়োজিত হচ্ছে ইউরো ।

বিভিন্ন দেশের সমর্থকেরা দলে দলে চলে গিয়েছেন জার্মানির বিভিন্ন শহরে। নিরাপত্তার জন্য কড়া হয়েছে জার্মানি। প্রতিযোগিতার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে ২০ হাজার পুলিশ। যে কোনও পরিস্থিতি সামাল দিতে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে সেনাবাহিনীকেও।

এই ইউরো দেখতে মুখীয়ে আছে বিশ্বের সকল ফুটবল প্রেমী। ইতালি কি পারবে শিরোপা ধরে রাখতে পারবে? না কি হোম কন্ডিশনের সুবিধা নিয়ে ট্রফি রেখে দিবে জার্মানি? নতুন কিংবা পুরোনো বা অন্য কারও হাতে উঠবে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি! এর সুনির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যাবে আগামী ১৪ জুলাই, ফাইনালের পর।

 

সোনালী/ সা