ঢাকা | জুন ২২, ২০২৪ - ৬:০১ অপরাহ্ন

রেমালের প্রভাবে ভাসমান টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ কমেছে

  • আপডেট: Sunday, May 26, 2024 - 11:38 pm

অনলাইন ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় কক্সবাজারের মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি (তরলিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কমেছে। টার্মিনাল দুটি থেকে ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল পাইপলাইনে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তা নেমে এসেছে প্রায় অর্ধেকে।

রোববার বিকালে দুই টার্মিনাল থেকে ৫০০-৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছিল বলে জানিয়েছে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এদিকে এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) পাইপলাইনে আগের মতো গ্যাস পাচ্ছে না। এর ফলে চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ কমলেও সার কারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ থাকায় আবাসিক এবং শিল্প খাতে তেমন সংকট হয়নি বলে দাবি করেছে কেজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ।

আরপিজিসিএলের এলএনজি ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. শাহ আলম যুগান্তরকে বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট ঢেউয়ের করণে ভাসমান টার্মিনাল দুটি দুলছিল। এগুলোর ভারসাম্য ঠিক রাখতে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়। এখান থেকে ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের মতো গ্যাস সরবরাহ করা হতো। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তা এক পর্যায়ে ৩২৫ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসে। পরিস্থিতির উন্নতি হতে থাকায় ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়ানো হচ্ছে। রোববার বিকালে ৫০০-৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করা হচ্ছিল। এটা আরও বাড়ছে। সোমবার সকালের দিকে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে।

আরপিজিসিএল সূত্র জানায়, মাতারবাড়িতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে আমদানিকৃত এলএনজি সরবরাহ করা হয় বিতরণ কোম্পানিগুলোকে। এর মধ্যে কেজিডিসিএল পুরোপুরি এলএনজি-নির্ভর। অর্থাৎ ভাসমান টার্মিনাল থেকে পাওয়া গ্যাসই তারা গ্রাহকদের সরবরাহ করে।

কেজিডিসিএল অপারেশন ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. আমিনুর রহমান জানান, তারা ২৮০-৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পেয়ে আসছিলেন ভাসমান টার্মিনাল থেকে। কিন্তু শুক্রবার থেকে তা কমে ২২৫ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসে। রোববারও প্রায় এরকমই গ্যাস পাওয়া যাচ্ছিল।

তিনি জানান, গ্যাস সরবরাহ কমলেও এ মুহূর্তে তেমন সংকট নেই। কারণ আগে যখন সরবরাহ বেশি ছিল তখন সার ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো চালু ছিল। বর্তমানে সবগুলো সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চলছে। তাই চাহিদা কমেছে। এজন্য ২২৫ মিলিয়ন ঘনফুটেও তেমন সমস্যা হচ্ছে না। গ্যাসের চাপ কমেনি।

 

সোনালী/ সা