ঢাকা | জুন ১৯, ২০২৪ - ১০:৪২ পূর্বাহ্ন

পবায় মাঠ চষছেন প্রার্থীরা, চমক দেখাতে পারেন ওয়াজেদ 

  • আপডেট: Monday, May 20, 2024 - 9:00 pm

স্টাফ রিপোর্টার: শহর ঘেঁষা হওয়ায় জেলার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হিসেবে বিবেচনা করা হয় পবাকে। ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে পবায় ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৯ মে। ইতিমধ্যেই গত ১৩ মে এই উপজেলার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

প্রতীক পাওয়ার পর থেকে সব প্রার্থীরাই চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনি মাঠ। ছুটছেন মানুষের বাড়ি-বাড়ি। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। কে হবেন পবার পরবর্তী চেয়ারম্যান; এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই।

তবে সম্প্রতি পবা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ভোটারেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভোটের মাঠে এবার বিশেষ চমক দেখাতে পারেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ওয়াজেদ আলী খাঁন।

নির্বাচনে তিনি মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শিক্ষক হিসেবে নিজ এলাকায় তার কার্যকর গ্রহণযোগ্যতা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত ক্লিন ইমেজের থাকায় ভোটের মাঠে তিনি বাজিমাত করতে পারেন ধারণা করা হচ্ছে।

পবা উপজেলায় এবার চেয়ারম্যান পদে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে বেশি জনপ্রিয়তা দেখা যাচ্ছে ওয়াজেদ আলী খাঁনের। সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন তার নির্বাচনি প্রচারণা। মাঠে প্রচারণা ও গঠনমূলক ব্যবহারের মাধ্যমে উপজেলা জুড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছেন তিনি। নজর কেড়েছেন সর্বস্তরের ভোটারদের।

পবার সাধারণ ভোটাররা জানিয়েছেন, ওয়াজেদের পক্ষে গণজোয়ার দেখা যাচ্ছে। পবার বেশিরভাগ সাধারণ ভোটাররা এবার চেয়ারম্যান পদে তাকে চাচ্ছেন। সেই প্রত্যয় নিয়েই ভোটের মাঠে ছুটছেন ওয়াজেদ। সাধারণ ভোটারের পাশাপাশি উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাকর্মীরাও তার সঙ্গে আছেন।

জানতে চাইলে ওয়াজেদ আলী খাঁন সোনালী সংবাদকে বলেন, আমি সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীদেরও স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা রয়েছে আমার পক্ষে। সবাই আমার সাথে আছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশের যে ঘোষণা দিয়েছেন, আমি নির্বাচিত হলে তার ধারাবাহিকতায় পবা উপজেলাও হবে স্মার্ট উপজেলা। আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।

ওয়াজেদ আলী খাঁন পবা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালীন উপজেলাজুড়ে তার নানা কর্মকাণ্ড জনগণের স্বার্থের পক্ষে হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। কৃষক লীগের সক্রিয় রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সাথেও জড়িত ওয়াজেদ। করোনাকালসহ নানা সময়ে তিনি পবা উপজেলার মানুষের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

পবায় ওয়াজেদ আলী খাঁনসহ অন্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, আনারস প্রতীকের ফারুক হোসেন ডাবলু, ঘোড়া প্রতীকের এমদাদুল হক এমদাদ, কাপ-পিরিচ প্রতীকের সাইফুল বারী ভুলু, দোয়াত-কলম প্রতীকের আব্দুর রশিদ ও হেলিকপ্টার প্রতীকের ডেভিড রিচার্ড মুর্মু।