ঢাকা | এপ্রিল ২০, ২০২৪ - ৬:৫০ অপরাহ্ন

ইসরাইলি হামলায় নিহত ইরানি কমান্ডার সম্পর্কে যা জানা গেল

  • আপডেট: Wednesday, April 3, 2024 - 11:26 am

অনলাইন ডেস্ক: ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের শীর্ষস্থানীয় কামান্ডার। তার নাম মোহাম্মদ রেজা জাহেদি। তিনি ছিলেন আল-কুদস বাহিনীর একজন সদস্য। কাসেম সুলেইমানিকে হত্যার পর থেকে ইরানের সবচেয়ে সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তাদের একজন তিনি। দ্য গার্ডিয়ান।

আইআরজিসির সেনাদের মধ্যে জেনারেল রেজা জাহেদি হাসান মাহদাভি নামে পরিচিত। তিনি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের দুই বছর পর আইআরজিসিতে যোগ দেন। ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় তিনি প্রথম সরাসরি সেনা নেতৃত্বে আসেন। সে সময় তিনি ছোট একটি ব্রিগেডের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ইরাক-ইরান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর রেজা জাহেদিকে পদোন্নতি দিয়ে একটি সেনা প্রশিক্ষণ বিভাগের প্রধান করা হয়। দীর্ঘ সময় পরে ২০০৫ সালে তিনি জেনারেল পদে পদোন্নতি পান এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি তাকে আইআরজিসির পদাতিক বাহিনীর প্রধান নিযুক্ত করেন।

ধারণা করা হয়, সরকারবিরোধী আন্দোলন দমাতে সেনাদের কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সেই কৌশল আবিষ্কার করে তাদের প্রশিক্ষণ দেন তিনি। এই বাহিনী আইআরজিসির হয়ে বিদেশে গুপ্তচর তৎপরতা চালায়। পাশাপাশি এটি একটি প্যারা মিলিশিয়া বাহিনীও। জেনারেল রেজা জাহেদি লেবানন ও সিরিয়ায় আল-কুদস ফোর্সের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

অনুমান করা হয়, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক রক্ষার মূল চাবিকাঠি ছিলেন এই জেনারেল। আর এ কাজে তাকে সহায়তা করতেন জেনারেল হাদি হাজি রাহিমি। জেনারেল জাহেদির মৃত্যুতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের কুদস ফোর্সের গোয়েন্দা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেনেসির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক সাঈদ গোলকার বলেছেন, ‘জাহেদির মৃত্যু কাসেম সোলেইমানির হত্যার পর আইআরজিসির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি। আইআরজিসি এখনো এক ব্যক্তি ও তার নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরশীল। এ কারণে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না।’

 

সোনালী/ সা