ঢাকা | এপ্রিল ২০, ২০২৪ - ৭:৪১ পূর্বাহ্ন

রাবিতে ভবন ধসের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার সময় বাড়ল

  • আপডেট: Thursday, February 15, 2024 - 9:55 pm

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান হলের অডিটোরিয়ামের একটি অংশ ধসে পড়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় আরও সাত কার্যদিবস বাড়ানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক তারিকুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য সাত কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। তদন্তে বেশকিছু জিনিসের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এজন্য তদন্ত কমিটির সদস্যেরা সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছিলেন। পরে তাদেরকে আরও সাতকার্যদিবস সময় দেওয়া হয়েছে।

তদন্ত কমিটির সদস্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, তারা কাজ করছেন। আজকেও রুয়েটের একটি টিম সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেছেন।

তারা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন। পরে তাদেরকে আরও সাত কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা হবে বলে আশা করছেন তিনি।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখশ হলের সামনে নির্মাণাধীন ১০ তলা শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান হলের অডিটোরিয়ামের একাংশ ধসে পড়ে। এ ঘটনায় নয়জন আহত হন। ওই দিন রাতেই জরুরি সভা ডেকে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। তবে ঘটনার চার দিন পর ৪ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কমিটির সদস্যদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। তাই ওই দিন থেকে পরবর্তী সাত কার্যদিবসের সময়সীমা গত সোমবার শেষ হলেও তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। তদন্ত কমিটির সদস্যেদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে আরও সাতকার্যদিবস বাড়ানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর সূত্রে জানা যায়, শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান আবাসিক হল ও ২০ তলাবিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজ করছে রূপপুরের ‘বালিশ-কাণ্ডে’ আলোচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মজিদ সন্স কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন এ দুই ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। এর আগে বিভিন্ন সময় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে।

সোনালী/জেআর