ঢাকা | এপ্রিল ১৬, ২০২৪ - ৬:৪১ পূর্বাহ্ন

দেশবিরোধী অপপ্রচার ঠেকাতে রাষ্ট্রদূতদের সতর্কতার আহ্বান

  • আপডেট: Wednesday, July 26, 2023 - 7:00 am

অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার ঠেকাতে দেশের কূটনীতিকদের সতর্ক থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ভুল তথ্যের কারণে যেন বিভ্রান্ত না হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচিত, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের কাছে অপপ্রচার-সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা। যদি এটা করা হয়, তাহলে মিথ্যা রটনাকারীরা বিভ্রান্তি সৃষ্টির কোনো সুযোগ পাবে না।

তিনি আরও বলেন, যেসব জায়গায় আন্তর্জাতিক সংস্থা রয়েছে, সেই জায়গাগুলোতে আমাদের আরও সক্রিয় হওয়া উচিত; যাতে তারাও অপপ্রচার এবং ভুল তথ্যের শিকার হয়ে বিভ্রান্ত না হয়। মঙ্গলবার রোমে প্রধানমন্ত্রী তাঁর আবাসস্থলে ইউরোপে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে এসব নির্দেশনা দেন। খবর বাসসের।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু লোক আছে, যারা অপরাধ করে বিদেশে আশ্রয় নিয়েছে; তারা দেশের বিরুদ্ধে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে। যারা কখনোই দেশকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে পারেনি, এমন কিছু লোক এবং কিছু অপরাধী যারা অপরাধ করে বিদেশে আশ্রয় নিয়েছে, তারা দেশের বিরুদ্ধে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে; তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএওর সদরদপ্তরে ‘বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ’ উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এফএওর মহাপরিচালক কিউ ডংইউয়ের উপস্থিতিতে সোমবার এক অনুষ্ঠানে কক্ষটি উদ্বোধন করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০০তম জন্মবার্ষিকী স্মরণে এই কক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এফএও সদরদপ্তরে এই ছোট্ট অংশটি পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। এই আয়োজন সম্ভব করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী এফএও মহাপরিচালকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও এফএওর মধ্যে ৫০ বছরের চমৎকার সম্পর্কের প্রতীক এই কক্ষ। তিনি আশা করেন, এই কক্ষে বসে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের অর্জনগুলো একমুহূর্তের জন্য হলেও ভাববেন।

সদ্য সজ্জিত কক্ষটিতে বাংলাদেশের একজন কৃষকের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের একটি চিত্র রয়েছে। ‘মুজিববর্ষ’ ২০২০-২১ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সময় এ শৈল্পিক কাজটি করা হয়েছিল। এটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে।

সোনালী/জেআর