ঢাকা | এপ্রিল ১৫, ২০২৪ - ৯:২৩ অপরাহ্ন

রাজশাহীতে স্মরণকালের বড় ফেনসিডিলের চালান উদ্ধার

  • আপডেট: Wednesday, July 5, 2023 - 12:49 pm

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় ফেনসিডিলের চালান উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

এতে এক ভারতীয় নাগরিকসহ বাংলাদেশি মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে মোট ৭৪৩ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (৪ জুলাই) দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের আলাইপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) সনাতন চক্রবর্তী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ভারতীয় নাগরিকটির নাম জামরুল শেখ (৩৪)। তিনি ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরপাড়া থানার কাগমারি এলাকার মৃত নুজবার শেখের ছেলে। অপরজনের নাম চপল আলী (৩৫)। সে বাংলাদেশি। তার বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আলাইপুর গ্রামে। চপল ওই গ্রামের মৃত খাদেম মন্ডলের ছেলে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, হেরোইন এবং গাঁজা উদ্ধারের রেকর্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই জেলা পুলিশ রাজশাহীর গোয়েন্দা শাখার অভিযানে স্মরণকালের বড় ফেনসিডিলের চালান আটক করা হয়েছে। গত রাত সাড়ে ৩টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের এক টিম এ অভিযান চালায়। অভিযানে স্মরণকালের বড় ফেনসিডিলের চালান জব্দ করা হয়।

সনাতন আরও বলেন, আসামি ভারতীয় নাগরিক জামরুল গত রাতেই এই পরিমাণ ফেনসিডিল পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসে। বাংলাদেশের মাদক কারবারিরা এই ফেনসিডিল বাঘা উপজেলার আলাইপুর গ্রামের এক আম বাগানে গ্রহণ করবে এমন তথ্য পেয়ে পুলিশ আম গাছে উঠে ধৈর্য্য সহকারে অপেক্ষা করতে থাকে।

ভারতীয় নাগরিক জামরুল দেশি মাদক কারবারিদের কাছে ফেনসিডিলের বস্তাগুলো হস্তান্তর করার এক পর্যায়ে ডিবি সদস্যরা তাদের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। এসময় তিন মাদক কারবারি পালিয়ে যায় এবং দুজনকে আটক করা সম্ভব হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জামরুল জানায়, এর আগেও সে অসংখ্যবার এমন বড় বড় চালান এ দেশে এনেছে। বর্ষাকালে নদীতে পর্যাপ্ত পানি থাকায় ফেনসিডিল আনা সুবিধা হয়। সে ফেনসিডিলের বস্তা টিউবের সঙ্গে বেঁধে সাঁতরে নদী পাড়ি দেয়।

অপর আসামি চপল জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফেনসিডিলের ব্যবসা করে আসছে। বাঘা থানার তালিকাভুক্ত মাদক কারবারিও তিনি। তার নামে বাঘা থানায় ৫টি মাদক এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা রয়েছে।

এ ঘটনায় বাঘা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান জেলা পুলিশের এই কর্মকর্তা।

সোনালী/জগদীশ রবিদাস