ঢাকা | এপ্রিল ১৬, ২০২৪ - ১:৪৩ পূর্বাহ্ন

মতিই ফিরলেন কাউন্সিলর হয়ে, স্বস্তি-উল্লাস ওয়ার্ডজুড়ে

  • আপডেট: Saturday, June 24, 2023 - 4:55 pm

বিশেষ প্রতিনিধি: রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) বহুল আলোচিত ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে ফের নির্বাচিত হয়েছেন মতিউর রহমান মতি। সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এ ওয়ার্ডে মতি কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ায় জনগণের মাঝে উল্লাস যেমন দেখা গেছে; অপরদিকে স্বস্তি ফিরেছে ওয়ার্ডজুড়ে।

গত ২১ জুন টান টান উত্তেজনার মধ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয় ৭ নম্বর ওয়ার্ডে। এর আগে বিভিন্ন ঘটনা ও তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ার্ডটিকে উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে ঘোষণা করে স্থানীয় প্রশাসন।

ফলে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সকাল থেকে শেষ পর্যন্ত প্রশাসনের কড়া নজরদারির মধ্যে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয় ৭ নম্বর ওয়ার্ডে। এতে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীকে প্রায় ৪৪৯ ভোটে পরাজিত করে বিজয়ী হন মতিউর রহমান।

এদিকে, মতির বিজয়ের খবর প্রকাশের পরপরই স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা যায় আনন্দ ও উল্লাস। তারা যাকে প্রতিনিধি হিসেবে প্রত্যাশা করেছেন; তিনিই নির্বাচিত হওয়ায় তাদের আনন্দ রুপ নেয় আবেগে। টানা কয়েকদিনের চলা আতঙ্ক কাটিয়ে তাদের মধ্যে ফেরে স্বস্তি। সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

তবে এখনো পুরোপুরি আতঙ্ক কাটেনি মন্তব্য করে বিজয়ী কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি বলেন, ‘আমার জয়ের মধ্য দিয়ে এলাকার মানুষের মাঝে আনন্দ ও স্বস্তি ফিরেছে এটি সঠিক। কিন্তু আতঙ্ক পুরোটাই কেটে গেছে এটি সঠিক নয়! আমরা প্রশাসনের কাছে ভোটের দিন যেমন পরিবেশ আশা করেছিলাম; ছোটখাটো কিছু বিষয় ছাড়া বলা চলে; পরিবেশ খুব খারাপ ছিল না। এর জন্য আমার এলাকার মানুষের পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবে এখনো যেহেতু আতঙ্ক কাটেনি; সুতরাং এই এলাকায় প্রসাশনের কার্যকর দৃষ্টি বিরাজমান থাকবে এমনটাই প্রত্যাশা করি।’

উল্লেখ্য, মতিউর রহমান মতি ছাত্রজীবন থেকেই রাজশাহীর প্রগতিশীল ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি রাজশাহী মহানগর ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ছিলেন। ছাত্ররাজনীতি শেষ করে তিনি একই ধারার যুবসংগঠনে যুক্ত হন। চলতি বছরের শুরুতে তিনি মহানগর যুবমৈত্রীর সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এমন ব্যক্তির জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়াকে অত্যন্ত ‘ভালো দিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সোনালী/জগদীশ রবিদাস