ঢাকা | এপ্রিল ১৬, ২০২৪ - ১:০১ পূর্বাহ্ন

রাবি ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে কর্মচারীর ‘টাকা ছিনিয়ে’ নেওয়ার অভিযোগ

  • আপডেট: Tuesday, May 16, 2023 - 8:49 pm

অনলাইন ডেস্ক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) রফিকুল ইসলাম নামের এক কর্মচারীকে হলে ডেকে ‘মারধর ও টাকা ছিনিয়ে’ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে এ ঘটনা ঘটে। বিকেলে ভুক্তভোগী হল প্রাধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

হল প্রশাসন বলছেন, অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযুক্ত দুই ছাত্রলীগ নেতা হলেন, হল ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম এবং শহীদ শামসুজ্জোহা হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোমিন ইসলাম। অন্যদিকে ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম সংস্কৃতি বিভাগের অফিস সহায়ক।

লিখিত অভিযোগে রফিকুল ইসলাম উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আরিফুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী অসুস্থতার কথা বলে সাহায্যের জন্য তাকে মোবাইল ফোনে কল করেন এবং তাকে সোহরাওয়ার্দী হলের ৩৬৪ নম্বর কক্ষে যেতে বলেন।

পরে ছাত্রলীগ নেতা মোমিন ও মাজহারুল ইসলাম কক্ষের জানালা-দরজা বন্ধ করে দেন। পরে হত্যার উদ্দেশ্যে পাইপ দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এক পর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। পরে অভিযুক্তরা তাকে হল গেটে এনে ছেড়ে দেন এবং পালিয়ে যান। বিষয়টি কাউকে জানাতে নিষেধ করা হয়। অন্যথায় মেরে ফেলার হুমকি দেন অভিযুক্ত ছাত্রলীগের নেতারা।

অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রলীগ নেতা মোমিন ইসলাম বলেন, মেয়ের অসুস্থতার কথা বলে রফিকুল ইসলাম আমার কাছ থেকে মার্চ মাসে ৫ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। পরে আমি তার কাছে টাকা চাই। কিন্তু তিনি দিতে দেরি করছিলেন। আজ তাকে হলে ডেকে আনা হয়। পরে এ বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে হল গেটে ছেড়ে দেওয়া হয়। মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।

অভিযুক্ত আরেক ছাত্রলীগ নেতা মাজহারুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বলেন, অভিযোগের সত্যতা পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, রফিকুল ইসলামের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি অভিযোগে জানিয়েছেন, ছাত্রলীগ নেতা মাজহারুল ইসলাম ও মমিন কক্ষে নিয়ে তাকে মারধর করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর হলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করা হয় এবং মারধরের সত্যতা পাওয়া যায়। তাকে যখন হলে ডেকে আনা হয়, তখন তিনি সুস্থ ছিলেন। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোনালী/জেআর