ঢাকা | জুন ২৫, ২০২৪ - ৪:৩৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

শহীদ মিনারের পাশে শ্রমিকের মরদেহ, স্বজনদের দাবি হত্যা

  • আপডেট: Wednesday, March 22, 2023 - 1:59 pm

অনলাইন ডেস্ক: নাটোরের সদর উপজেলার হয়বতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাশ থেকে ফরহাদ খন্দকার (২৮) নামের এক শ্রমিকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছ পুলিশ। আজ বুধবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ বলছে, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটি গুলিতে নিহতের ঘটনাও হতে পারে।

এ দিকে পরকীয়ার জেরে ফরহাদ খন্দকারকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি স্বজন ও এলাকাবাসীর।

নিহত ফরহাদ খন্দকার সদর উপজেলার হয়বতপুর এলাকার মৃত মোসলেম খন্দকারের ছেলে। তিনি হয়বতপুর বাজারের কাঁচামাল আড়তে শ্রমিকের কাজ করতেন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ফরহাদ খন্দকার হয়বতপুর বাজারে সবজি আড়তে শ্রমিকের কাজ করতেন। মঙ্গলবারও তিনি আড়তে কাজ করেন। পরে রাতে কে বা কারা ফরহাদ খন্দকারকে হত্যা করে হয়বতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাশে ফেলে রেখে যায়। বুধবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

এলাকাবাসীদের ধারণা পরকীয়ার জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

আক্কাস আলী নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, স্থানীয় এক গৃহবধূর সঙ্গে ফরহাদ খন্দকারের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। কিছুদিন আগে ওই গৃহবধূকে নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। পরকীয়ার জেরে এই হত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

নিহত ফরহাদের স্ত্রী লুৎফুন নাহার জানান, রাত দেড়টার দিকে স্কুলের শহীদ মিনারের পাশে রক্তাক্ত ও মৃত অবস্থায় ফরহাদ খন্দকারকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই সময় স্থানীয় গ্রাম পুলিশের সহায়তায় থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরকীয়ার কারণে তাকে হত্যা করা হতে পারে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান কালু বলেন, ‘পূর্ব বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্ত সাপেক্ষে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার বিচার দাবি করছি।’

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছিম আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটি গুলিতে নিহতের ঘটনাও হতে পারে। ময়নাতদন্তের পর হত্যার কারণ জানা যাবে। বিদ্যালয় ও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সিসি টিভির ফুটেজ দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোনালী/জেআর