ঢাকা | জুন ১৯, ২০২৪ - ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প: প্রাণহানি ছাড়াল ৩৪ হাজার

  • আপডেট: Monday, February 13, 2023 - 11:00 am

অনলাইন ডেস্ক: তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৩৪ হাজার ছাড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে এখনও লাশ বের করছে উদ্ধারকারীরা। খবর সিএনএন।

সোমবার তুরস্কের জরুরি সমন্বয় কেন্দ্র সাকোম জানিয়েছে, তুরস্কে নিহতের সংখ্যা ২৯ হাজার ৬০৫ জনে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা ৪ হাজার ৫৭৪ জনে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত অংশে নিহত হয়েছে ৩ হাজার ১৬০ জন। আর সরকার নিয়ন্ত্রিত অংশে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৪১৪ জনের।

এদিকে সপ্তম দিনের উদ্ধার অভিযানেও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে প্রাণের সন্ধান মিলছে। উদ্ধারকারীরা বলছেন, যত সময় গড়াচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ততই ক্ষীণ হয়ে আসছে।

সিএনএন জানিয়েছে, ভূমিকম্পের ১৪৭ ঘণ্টা পরেও ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে ১০ বছর বয়সী এক মেয়েকে উদ্ধার করেছে তুরস্কের উদ্ধারকারী দল। তবে ‘নিরাপত্তা হুমকির’ কারণ দেখিয়ে ইসরায়েল থেকে আসা উদ্ধারকারী দল ইউনাইটেড হাটজালাহ ছয় দিন পর তুরস্ক ছেড়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

তুরস্ক থেকে আরও তিনটি উদ্ধারকারী দল বিবিসিকে বলেছে, দক্ষিণ তুরস্কে লুটপাট ও সংঘর্ষের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। জার্মানি থেকে আসা উদ্ধারকারী দল ও অস্ট্রিয়ার সেনাবাহিনী গত শনিবার তাদের উদ্ধার অভিযান স্থগিত করেছে। তারা বলেছে, এখানে স্থানীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। তবে গোষ্ঠীগুলোর নাম উল্লেখ করেনি তারা।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, লুটপাটের অভিযোগে গতকাল অন্তত ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকটি বন্দুকও জব্দ করেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (৬ ফেব্রয়ারি) সকালে ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল তুরস্ক এবং সিরিয়া। তার পর অন্তত ১০০ বার জোরালো আফটার শকে কাঁপে দুই দেশের মাটি। এতে গুঁড়িয়ে যায় দুই দেশের হাজার হাজার হাসপাতাল, স্কুল ও অ্যাপার্টমেন্ট ভবন। এতে গৃহহীন হয়ে পড়ে দেশ দুটির লাখ লাখ মানুষ।

সিরিয়া-তুরস্কের এই ভূমিকম্পকে শতাব্দীর সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক ও প্রাণঘাতী বলে মনে করছেন কেউ কেউ। বলা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনে এই ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে যেতে পারে ৫০ হাজার। ১৯৩৯ সালের পর এটি তুরস্কের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প।

সোনালী/জেআর