ঢাকা | জুন ১৫, ২০২৪ - ১০:৪৮ অপরাহ্ন

উপহারের গাড়ি নিয়ে বিপাকে হিরো আলম, বিআরটিএ’র পাওনা ৫ লাখ টাকা

  • আপডেট: Wednesday, February 8, 2023 - 4:35 pm

অনলাইন ডেস্ক: বিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামের শিক্ষক মুখলিছুর রহমানের উপহারের গাড়ি নিয়ে একরকম বিপাকেই পড়েছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। জানা গেছে, গাড়িটির কাগজপত্র নবায়ন নেই। কাগজ নবায়নে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪২৩ টাকা ফি দিতে হবে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটিকে (বিআরটিএ)। বিআরটিএর ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, গাড়িটি ১০ বছর ধরে কাগজপত্র নবায়ন করা হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টয়োটা নোয়াহ ১৯৯৮ মডেলের উপহার পাওয়া গাড়িটির ফিটনেস সনদের মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় ১০ বছর আগে। সর্বশেষ ২০১৩ সালে গাড়িটির ট্যাক্স দেওয়া হয়। এতে বর্তমানে ওই গাড়ির বিপরীতে বিআরটিএ’র পাওনা প্রায় পাঁচ লাখ টাকা। এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হিরো আলম উপহারের গাড়িটি গ্রহণ করে সেটি অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে মানুষের কল্যাণে ব্যবহারের ঘোষণা দেন।

এদিন দুপুর ২টায় হিরো আলম হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রীজ এলাকায় পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানায় ভক্তরা। পরে হিরো আলম তার গাড়ি নিয়ে চলে যান শিক্ষক মুখলিছুর রহমানের বাড়ি চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামে। সেখানে খাওয়া-দাওয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে হিরো আলমকে নিজের গাড়ির চাবি বুঝিয়ে দেন শিক্ষক মুখলিছুর রহমান। এসময় শিক্ষক মুখলিছুর রহমানের বাড়িতে হিরো আলমকে এক নজর দেখতে ভিড় জমান শত শত গ্রামবাসী ও ভক্তরা।

এর আগে, শিক্ষক মুখলিছুর রহমানের গাড়ি উপহার দেওয়া নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা সমালোচনা চলছিল। এবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে গাড়ির কাগজপত্রের মেয়াদ না থাকা নিয়ে। বিআরটিএর ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হিরো আলমকে দেওয়া উপহারের গাড়িটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-চ-৫১-৪১০১। ১৮০০ সিসি গাড়িটির টেক্স টোকেনের মেয়াদ শেষ হয় ২০১৩ সালের ১৮ মার্চ এবং ফিটনেসের মেয়াদ শেষ হয় ১৫ জুলাই ২০১৩ সালে।

তবে রোড পারমিটের কোনো তথ্য নেই ওয়েবসাইটে। অনলাইনের তথ্য অনুযায়ী গাড়িটি বর্তমানে হালসন পর্যন্ত নবায়ন করতে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪২৩ টাকা ফি লাগবে। বিআরটিএ হবিগঞ্জের সহকারী পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ওই গাড়ির কাগজ নবায়নের জন্য আমার কাছে কেউ আবেদন করেননি। বর্তমানে আবেদন করার সঙ্গে সঙ্গে কাগজ দ্রুত নবায়ন করে দেওয়া হচ্ছে। দেশের যেকোন স্থানে নবায়নের ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

সোনালী/জেআর