ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২৪ - ২:৪২ অপরাহ্ন

স্কুল প্রধানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ শিক্ষকের

  • আপডেট: Saturday, October 8, 2022 - 11:02 pm

স্টাফ রিপোর্টার: গোদাগাড়ী উপজেলার কাশিমপুর এ কে ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষককের বিরুদ্ধে নিয়োগ জালিয়াতি, স্বাক্ষর জাল, টিউশন ফির অর্থ আত্মসাতসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ তুলেছেন জ্যেষ্ঠ সহকারি শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক। প্রধান শিক্ষককের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ নিয়ে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক গোলাম কবির আখতার জাহান ২০০১ সালের ১১ এপ্রিল সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান অবৈধভাবে। ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সহকারি শিক্ষক নিয়োগে বিপিএড সনদ থাকা বাধ্যতামূলক থাকলেও ওই সময় তার সেটি ছিল না। বিষয়টি ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর মাধ্যমিক ও শিক্ষা অঞ্চলের উপ-পরিচালক কার্যালয় থেকে তদন্ত প্রতিবেদনেও বিষয়টি উঠে আসে।

গোলাম কবির আখতার জাহান সহকারি শিক্ষক হিসেবে ওই নিয়োগ পাওয়ার মাত্র ১০ মাসের মধ্যে সহকারি প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। এখানেও তাকে চরম জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই সময় সহকারি প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে অন্তত ১২ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকার কথা বলা হলেও মাত্র ১০ মাসের অভিজ্ঞতা দিয়েই তিনি সেই পদে পেয়ে যান। এমনকি সহকারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মেয়াদ অন্তত ১৫ দিন থাকার কথা থাকলেও সেটিও ছিল মাত্র সাত দিনের জন্য। ওই সময়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের কোনো রেজুলেশনই রাখা হয়নি স্কুলে।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক অবসরে যাওয়ার পরে ওই পদে বসেন সহকারি প্রধান শিক্ষক গোলাম কবির আখতার জাহান। গত ২০১৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। গোপনে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তিনি সে পদটিতে বসেন।

এরপর তিনি সহকারি শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিকের টিউশন ফি আত্মসাত থেকে শুরু করে এছাড়া তাকে উচ্চতর স্কেলে বেতন-ভাতার সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা থাকলেও সেটিতেও বাধা প্রদান করে তাকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। এমপি আবেদনের সময় শিক্ষক বিবরণীর ছকে শিক্ষকদের স্বাক্ষর জাল করে প্রধান শিক্ষক গোলাম কবির আখতার জাহান নিজের পছন্দমতো তথ্য উপস্থাপন করেছেন। এতে নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন সহকারী জৌষ্ঠ শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক গোলাম কবির আখতার জাহান বলেন, ‘এসব অভিযোগ সঠিক নয়। যা কিছু হয়ে নিয়মের মধ্যে থেকেই করা হয়েছে। এর বাইরে কিছুই হয়নি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা রটানো হচ্ছে।’