ঢাকা | জুলাই ১৯, ২০২৪ - ১০:০০ পূর্বাহ্ন

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৩৪ বস্তা চাল আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপডেট: Saturday, September 17, 2022 - 11:06 pm

স্টাফ রিপোর্টার: ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৩৪ বস্তা চাল আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন সদস্যরা। অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের নাম রিয়াজুল ইসলাম। তিনি দুর্গাপুর উপজেলার দেলুয়াবড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

চাল আত্মসাত নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ইউপি সদস্যরা। অভিযোগে তাদের সিলসহ স্বাক্ষরও আছে। অভিযোগে ইউপি সদস্যরা উল্লেখ করেন, গত ৮ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) অসহায় ও দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ করেন দেলুয়াবাড়ির ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম। সেদিন ২০০ জনের মধ্যে ১৯৬ জনের মধ্যে ২০ কেজির কম চাল বিতরণ করা হয়। ১২০ বস্তার মধ্যে ৫০ বস্তা চাল অবশিষ্ট থেকে যায়। বাকি চাল ইউপি সদস্যরা গণনা করে পরিষদের গুদামে রেখে যান।

একদিন পর ১১ সেপ্টেম্বর (রোববার) চালগুলো বিতরণ করার জন্য আমরা আবার ইউনিয়ন পরিষদে যায়। সেখানকার দায়িত্বে একজন গুদামের তালা খুলে দেন। তালা খুলে দেয়া যায় মাত্র ১৬ বস্তা চাল আছে। বাকি ৩৪ বস্তা চাল উধাও। দায়িত্বে থাকা হালিমা বেওয়া জানান, ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের দেহরক্ষী শামীম চেয়ারম্যানের নির্দেশে শনিবার বেলা ১১টার দিকে তিনটি ভ্যানে করে এসে ৩৪ বস্তা চাল নিয়ে চলে যায়। শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি বলেন, চেয়াম্যানের স্যারের নির্দেশে চালের বস্তা নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, চাল কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে একথা জিজ্ঞেস করলে কোন উত্তর দিতে পারেননি চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম। ৩৪ বস্তা চালের আনুমানিক মুল্য ৬৮ হাজার টাকা। যা তিনি পুরোটা আত্মসাত করেছেন।

চাল আত্মসাতের এ বিষয়ে চেয়াম্যান রিয়াজুল ইসলাম তিনি বলেন, আমার নামে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যাও ভিত্তিহীন। যেসব সদস্যরা করেছেন তারা আমার কাছে সুবিধা করতে পারেন না। তাই তারা আমার নামে অভিযোগ দিয়েছেন। আমি বর্তমানে বাইরে আছি। উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করেছি। ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে ইউপি সদস্যদের ‘ভুল বোঝাবুঝি’ হয়েছে। চালের বস্তা ঠিকই আছে। চালের বস্তা কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিলÑ এমন প্রশ্ন করলে তিনি কোন উত্তর দেননি।