ঢাকা | জুন ১৩, ২০২৪ - ৩:৪৭ অপরাহ্ন

বৃষ্টি হলেই সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগ

  • আপডেট: Sunday, September 4, 2022 - 11:24 pm

 

দুর্গাপুর প্রতিনিধি: এক মোড়, তিনটি প্রধান সড়ক। কিন্তু হাঁটার জো নেই। বৃষ্টি হলেই রাজশাহীর দুর্গাপুর পৌর শহরের বাজার এলাকায় প্রধান সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। সড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে মানুষ। আর যানবাহন চলাচল করছে হাঁটুপানি দিয়ে।

রোববার দুপুরে পৌর শহরের মেডিকেল মোড়ে দেখা যায় এ চিত্র। এতে পৌর শহরের বাসিন্দা ও হাজারও পথচারীদের সীমাহীন দুর্ভোগে পড়তে হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দুর্গাপুর পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ৭ নম্বর ওয়ার্ড মেডিকেল মোড়। এক মোড়, তিন দিকে বয়ে গেছে প্রধান সড়ক। বাজারের প্রধান সড়কের পাশে থানা, উপজেলা পরিষদ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৮ থেকে ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যেতে সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয় সেখানে। পানি নিষ্কাশনের ড্রেন ব্যবস্থা থাকলেও ড্রেনে উঠে না পানি। এ কারণে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

সড়কের পাশের ওষুধ ব্যবসায়ী মালিক কাওছার হোসেন বলেন, এতো বলেও এখানকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা হয় না। পাশেই ড্রেন থাকলেও সড়ক নিচু হওয়ায় ড্রেনে উঠে না পানি। একটু বৃষ্টি হলেই জমে থাকে পানি। কবে যে এই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হবে কেউ বলে না। মানুষের এমন দুর্ভোগ পৌর শহরের বাসিন্দারাই বুঝেন।

পৌর এলাকার দেবীপুর গ্রামের ভ্যানগাড়ি চালক সালাউদ্দিন বলেন, সড়কে গর্তের কারণে হাঁটুপানি জমে। পানির মধ্যে দিয়ে ভ্যানগাড়ি পার হতে বুঝা যায় না গর্ত আছে কী না। অনেক সময় যাত্রী নিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। তাছাড়া পাশের ড্রেন দিয়ে পানি নামে না। চলাচলে খুব অসুবিধা হয়।

পৌর শহরের স্থানীয় ব্যবসায়ী রাসেল আহমেদ বলেন, এতোটুক জলাবদ্ধতার কারণে পুরো পৌর শহরের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পানি জমে থাকায় পথচারীরা সড়ক দিয়ে যেতে না পেরে দোকান ঘিঁষে চলাচল করেন। গত কয়েক বছর ধরে এ সমস্যা। এতে ব্যবসায়ীদের দুর্দশার আর সীমা থাকে না।

দুর্গাপুর পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র একরামুল হক বলেন, পৌর শহরের বাসিন্দা ও পথচারীদের দুর্ভোগ কমাতে সেখানে ইটের গুড়ি ফেলে গর্ত ভরাটের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও সেখানকার জমে থাকা পানি কীভাবে ড্রেনে নামানো যায় এ বিষয়ে পৌরসভার প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।