ঢাকা | জুন ১৮, ২০২৪ - ৫:৫৯ অপরাহ্ন

প্রশাসনে গ্রহণযোগ্য কর্মকর্তার অভাব

  • আপডেট: Sunday, September 4, 2022 - 11:06 am

অনলাইন ডেস্ক: প্রশাসনের শীর্ষ কয়েকটি পদ শিগগির শূন্য হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবও রয়েছেন। তাঁদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ডিসেম্বরে। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এ দুটি পদ বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। তবে দুটি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলোচনায় রয়েছেন, তাঁদের নিয়ে আছে নানা আলোচনা। আবার কোনো কোনো বিচক্ষণ কর্মকর্তা আলোচনায় থাকলেও তাঁরা জ্যেষ্ঠতার দিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন। এ প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, প্রশাসনের শীর্ষ পদে আবারও কি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আসছে, নাকি নতুন কাউকে বেছে নেবে সরকার। তবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়ে প্রশাসনে রয়েছে অসন্তোষ। প্রশাসনের সংশ্নিষ্টদের কথায় উঠে এসছে এসব তথ্য।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জনপ্রশাসনের শীর্ষতম পদ। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির সর্বজ্যেষ্ঠ সচিব এ পদে নিয়োগের রীতি রয়েছে। চৌকস এই পদটিতে কে নিয়োগ পাবেন, তার ধারণা পাওয়া যায় বেশ আগেই। তবে এবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব কে হবেন- তা সহজেই কেউ অনুমান করতে পারছেন না। যদিও মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিবসহ প্রশাসনের সচিব নিয়োগ সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার।

প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে দীর্ঘ সময় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব তৈরির ক্ষেত্রে এক ধরনের শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। নিয়মিত চাকরি করে ভালো ভালো কর্মকর্তা অবসরে যাচ্ছেন। কেউ কেউ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাচ্ছেন মন্ত্রণালয় বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থায়। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের কারণে সাধারণ প্রশাসনে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ধারাবাহিকতা রক্ষা না হওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে কে আসবেন, সেটা নিয়ে সচিবালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারাও পড়ছেন দ্বিধায়। বর্তমান প্রশাসনে ২০১৭ সালে অবসরে যাওয়ার কথা- এমন দু’জন সচিব এখনও চুক্তিতে আছেন। এ ছাড়া ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালে অবসরে যাওয়ার কথা এমন আরও অন্তত ছয় সচিব আছেন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে। সব মিলিয়ে চুক্তিতে থাকা সচিব ও জ্যেষ্ঠ সচিবের সংখ্যা এক ডজনের মতো।

প্রশাসনের শীর্ষ দুটি পদ- মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব দু’জনই দুই বছর করে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে আছেন। এর মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম আছেন টানা তৃতীয় বছরের মতো। তাঁর সরকারি চাকরির স্বাভাবিক মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। সরকারি চাকরি করার ক্ষেত্রেও নজির গড়েছেন খন্দকার আনোয়ার। ১৯৮২ সালের বিশেষ ব্যাচের এই কর্মকর্তা সরকারি চাকরিতে আছেন টানা ৪০ বছর। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ ডিসেম্বর।

আগের দু’জন মন্ত্রিপরিষদ সচিব যথাক্রমে মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা ও মোহাম্মদ শফিউল আলম তাঁদের চাকরি শেষে বিশ্বব্যাংকে বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান। এবার এ পদে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসের নাম শোনা যাচ্ছে। তাই বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব আবারও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাচ্ছেন- এমন গুঞ্জন থাকলেও সে সম্ভাবনা কম বলে জানা গেছে। এখনকার প্রশাসনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিব মর্যাদার ৮৫ কর্মকর্তা রয়েছেন। সচিবদের জ্যেষ্ঠতার দিক থেকে করা তালিকা অনুযায়ী প্রথম ৮ জনসহ মোট ১২ জন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে আছেন।

নিয়মিত সচিবদের মধ্যে সর্বজ্যেষ্ঠ হলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ও অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কবির বিন আনোয়ার। প্রথা অনুযায়ী তিনিই মন্ত্রিপরিষদ সচিব নিয়োগ পাওয়ার কথা। তবে প্রশাসন ক্যাডারের সপ্তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা গত বছরের আগস্টে বরিশালের স্থানীয় প্রশাসনের একটি ঘটনায় অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে সমালোচিত হয়েছেন। সরকারের শীর্ষ সচিবরা সে সময় বিবৃতির ভাষা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

এ ছাড়া মাঠ প্রশাসনে ইউএনও হিসেবে কাজ করলেও এডিসি, ডিসি বা বিভাগীয় কমিশনারের মতো পদে কাজ করার অভিজ্ঞতাও কবির বিন আনোয়ারের নেই; যা প্রশাসনের শীর্ষতম পদের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া কবির বিন আনোয়ারের চাকরির বয়স শেষ হচ্ছে আগামী ৩ জানুয়ারি। ডিসেম্বরে তাঁকে ওই পদে নিয়োগ দিলে আবারও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রশ্ন আসবে।

তবে কবির বিন আনোয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সরকারের বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত। তারপরও মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে তাঁর নামটি সচিবালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কারও আলোচনায় পাওয়া যাচ্ছে না। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি জোর আলোচনায় আছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে মাহবুব হোসেনের নাম আলোচনায় আছে। এই কর্মকর্তা প্রশাসনে বিচক্ষণ হিসেবে পরিচিত হলেও মাঠ প্রশাসনে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা নেই। অর্থাৎ ইউএনও, ডিসি এবং বিভাগীয় কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন না। তাঁর চাকরিজীবনের প্রায় পুরোটাই সচিবালয়কেন্দ্রিক। ফলে তাঁর এ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছুটা সীমাদ্ধতা রয়েছে। তারপরও সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে তাঁর নাম বিবেচনায় রয়েছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি আলোচনায় রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার নামও মুখ্য সচিবের আলোচনায় রয়েছে। বর্তমান মুখ্য সচিবের চুক্তি না হলে তাঁর এ পদে নিয়োগ পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কর্মরত আছেন। এর বাইরে মাঠ প্রশাসনে রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। তিনি ঢাকাসহ তিনটি জেলার ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কেউ কেউ মনে করেন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব হিসেবে তোফাজ্জল হোসেন মিয়া দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁকে এ পদে রেখে সিনিয়র কাউকে মুখ্য সচিব নিয়োগ দিলে প্রশাসনে ভারসাম্য রক্ষা পাবে। এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব জিয়াউল আহসান। প্রশাসনের অষ্টম ব্যাচের এ কর্মকর্তা পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়েরও সচিব ছিলেন। মাঠ প্রশাসনে ইউএনও এবং এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব হাসিবুল আলমও অষ্টম ব্যাচের কর্মকর্তা। মাঠ প্রশাসনে ইউএনও ও ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আমিনুল ইসলাম খান কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

সচিব মর্যাদার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যোগ্যতাসম্পন্ন একাধিক কর্মকর্তার মধ্যে সরকারপ্রধান কাকে রেখে কাকে সর্বোচ্চ পদগুলোতে নিয়োগ দেবেন, বিষয়টা এমন হলে ভালোই ছিল। তবে অবস্থাটা এমন দাঁড়িয়েছে, একবাক্যে কারও নাম আমরা আস্থায় রাখব- তা হয়ে উঠছে না। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবের মতো পদের ক্ষেত্রে আগে এমনটা দেখা যায়নি।

জনপ্রশাসনের দীর্ঘমেয়াদি প্ল্যানিংয়ের ক্ষেত্রে ঘাটতি আছে বলে মনে করেন কেউ কেউ। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক অতিরিক্ত সচিব বলেন, কোন কোন কর্মকর্তা সচিব হওয়ার যোগ্য- যুগ্ম সচিব থেকেই সেটা বোঝা যায়। সেখান থেকে যোগ্যতরদের বাছাই করে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পদায়নের মাধ্যমে গড়ে তুলতে হবে। না হলে ভবিষ্যতে এ সংকট আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, বর্তমান প্রশাসনে অষ্টম, নবম ও দশম ব্যাচের সচিবরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় আছেন।

পরবর্তী সময়ে দক্ষ প্রশাসন নিয়ে পরিকল্পনা করতে হলে এখন থেকেই ১৩ ও ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের টার্গেট করে কাজ করা দরকার। এ দুই ব্যাচের কর্মকর্তারা এখন অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ক্ষেত্রে ব্যাচ, আঞ্চলিকতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পছন্দ-অপছন্দের চেয়ে কর্মকর্তাদের যোগ্যতাকেই একমাত্র মানদণ্ড ধরা উচিত বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে সাবেক সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান বদিউর রহমান বলেন, সরকারের উচিত নিয়মিত প্রশাসনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিরুৎসাহিত করা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বা অন্য কোনো সচিব পদে এ ধরনের নিয়োগ একেবারেই অপ্রয়োজনীয়। এতে উদীয়মান কর্মকর্তারা হতাশ হন, অন্যদিকে প্রশাসন দলীয় আনুগত্যের দোষে দুষ্ট হয়।

তিনি বলেন, কারিগরি বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাউকে বিশেষ প্রয়োজন হলে চুক্তিভিত্তিক রাখা যায়। কোনো বিশেষ কাজের ধারাবাহিকতায় যাতে ছন্দপতন না হয়, সেখানেও স্বল্প সময়ের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হতে পারে। তবে নিয়মিত প্রশাসনে বছরের পর বছর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ অযৌক্তিক। সব সরকারই এ কাজটা করে প্রশাসনের ক্ষতি করছে।

দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের রীতি নতুন নয়। এ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে ২১ কর্মকর্তা অবসরে গেছেন। তাঁদের মধ্যে আব্দুল মোমেন খান ও এম কেরামত আলী থেকে শুরু করে বেশিরভাগ মন্ত্রিপরিষদ সচিব চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে ছিলেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবদের মধ্যেও প্রায় সব সরকারের আমলেই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের নজির রয়েছে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. আকবর আলি খান বলেন, এ বিষয়ে অনেক লেখালেখি করেছি, আমার লেখা বইয়ে লিখেছি। এখন আর মন্তব্য করতে চাই না।

সচিবালয় ও মাঠ প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যদি মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবের মতো পদগুলোতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ না হতো, তাহলে বিদ্যমান পরিস্থিতি এড়ানো যেত। তবে এ বিষয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছে ভিন্ন মতও। তাঁরা বলছেন, পদ্মা সেতুর কাজের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সরাসরি যুক্ত ছিলেন। তিনি দীর্ঘ আট বছর সেতু বিভাগের সচিব ছিলেন।

খন্দকার আনোয়ার সেতু বিভাগের সচিব থাকার সময় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হয়েছিল। মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরও পদ্মা সেতু-সংক্রান্ত সার্বিক সমন্বয় তিনিই করেছেন। এ কারণে তাঁর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রয়োজন ছিল। অন্যদিকে করোনা শুরুর সময় থেকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস প্রশাসনিক সমন্বয় এবং অর্থনৈতিক ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এ কারণে তিনিও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছিলেন।

সোনালী/জেআর