ঢাকা | জুন ২০, ২০২৪ - ১১:৪৭ অপরাহ্ন

নগরীতে আজও বন্ধ অটোরিকশা, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

  • আপডেট: Monday, August 29, 2022 - 1:52 pm

অনলাইন ডেস্ক: ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে রাজশাহীতে দ্বিতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। গণপরিবহন সার্ভিস না থাকায় রিকশার শহরে সড়কে বেরিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।

দাবি উঠেছে-মানুষের ভোগান্তি কমাতে গণপরিবহন চালু করার।

রোববার থেকে কোনো ঘোষণা ছাড়াই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রেখেছেন মালিক ও চালকরা। অটোরিকশা চলাচল বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নগরবাসী। তবে ব্যাটারিচালিত দুই আসনের রিকশা ও রিকশাভ্যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

এই পরিস্থিতির উত্তোরণের জন্য বিষয়টি নিয়ে সোমবার দুপুরে অটোরিকশা মালিক ও চালকদের সঙ্গে নগর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া এই পরিস্থিতিতে ইন্টারসিটি বাস সার্ভিস চালুর জন্য মহানগরবাসীর দীর্ঘদিনের যে দাবি ছিল তা আরও জোরালো হয়েছে।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ভাড়া বাড়ানো নিয়ে শহরজুড়েই এখন অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রোববার সকাল থেকে আকস্মিকভাবে ধর্মঘট শুরু করেন অটোরিকশা চালকরা।

এরপর বিকেল পর্যন্ত মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে সড়ক অবরোধ করে ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

কেউ এই ধর্মঘট কর্মসূচি না মেনে সড়কে অটোরিকশা বের করলেই আন্দোনকারীরা তাকে ঘিরে ধরছেন। জোর করে অটোরিকশা থামিয়ে চালককে মারপিট ও অটোরিকশা ভাঙচুর করছেন। এছাড়া যাত্রীদের হেনস্থা করে রিকশা থেকে নামিয়ে দিচ্ছেন।

অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করছেন। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ভাড়া সর্বনিম্ন ১০ টাকা করার দাবিতে তারা ধর্মঘট পালন করছেন। এর কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষ।

এদিকে, সোমবার সকাল থেকে অফিসগামী মানুষেরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহান। আর ছোট অটোরিকশাগুলো চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও ইচ্ছামতো ভাড়া হাঁকাচ্ছেন তারা।

দূরত্ব ভেদে ২০ টাকার ভাড়া ৪০-৫০,৩০ টাকার ভাড়া ৬০ টাকা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন। সুযোগ বুঝে এই রিকশা চালকরা অন্যায়ভাবে কিছু বাড়তি টাকা আয় করে নিচ্ছেন। ফলে দুই দিক থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন-সাধারণ যাত্রী।

অটোরিকশার ধর্মঘট প্রশ্নে রাজশাহী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি সাগর হোসেন দাবি করেন, সমিতিকে না জানিয়েই চালকদের একটি পক্ষ ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে হঠাৎ অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন।

তারা এই ধর্মঘটের বিষয়ে জানেন না। এসবের পেছনে সিটি করপোরেশনের কয়েকজন কাউন্সিলর ইন্ধন জোগাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সোনালী/জেআর