ঢাকা | জুন ১৫, ২০২৪ - ১০:১৫ অপরাহ্ন

সিরাজগঞ্জে নির্মিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের ইন্টারচেঞ্জ

  • আপডেট: Saturday, August 13, 2022 - 10:37 pm

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের মহাসড়ক চার লেনের উন্নীতকরণের পাশাপাশি জেলার গুরুত্বপূর্ণ হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় ৭৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের ইন্টারচেঞ্জ। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের মাটি ভরাট ও পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা। এটি বাস্তবায়ন হলে এপথে চলাচলকারী বিভিন্ন জেলার যানবাহনগুলো খুব সহজেই রাস্তা পরিবর্তন করতে পারবেন। পাশাপাশি কমবে সড়ক দুর্ঘটনাও।

আধুনিক নির্মাণাধীন ইন্টারচেঞ্জে থাকবে নানা সুযোগ-সুবিধা। গাড়ি পার্কিং সুবিধাসহ চালকদের বিশ্রামাগার। পথচারীদের পারাপারের জন্য ফ্লাইওভার ও ওয়াকওয়ে। এই ইন্টারচেঞ্জ চালু হলে উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের নয়াদিগন্তের দ্বার খুলে যাবে।

জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোলচত্বর মহাসড়কে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করে। এ জন্য প্রায়ই এখানে যানজট লেগে থাকে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের। এই দুর্ভোগ কমাতে মহাসড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গোলচত্বর থেকে এক কিলোমিটার দূর থেকেই ভাগ হয়ে যাবে বিভিন্ন জেলার যানবাহন। পথচারীদের জন্য থাকবে ফ্লাইওভার ও ওয়াকওয়ে। আন্তর্জাতিক মানের এ ইন্টারচেঞ্জে দূরপাল¬ার যানবাহনের পাশাপাশি ধীরগতির পরিবহনের জন্য থাকছে আলাদা লিংক রোড। এতে খুশি স্থানীয়ভাবে চলাচলকারী পরিবহন চালকরা।

বাস চালকরা বলছেন, বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে হাটিকুমরুল গোলচত্বরে মাঝেমধ্যেই যানজটে বসে থাকতে হয়। বিশেষ করে বছরে দুইটি ইদযাত্রায় ভোগান্তির শেষ নেই। মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের পাশাপাশি হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় যে ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণ হচ্ছে, এটি শেষ হলে আমাদের এই দুর্ভোগ কমে যাবে। সহজেই এই গুরুত্বপূর্ণ হাটিকুমরুল গোলচত্বর পার হতে পারব।

হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গতিশীলতা আসবে উত্তরাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে। ইতোমধ্যেই পাচঁলিয়া এলাকায় মাটি ভরাট ও পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। ঠিকাদার খুব দ্রুতগতিতে কাজ করে যাচ্ছে। তবে এখানে জমি অধিগ্রহণ নিয়ে কিছু সমস্যা হচ্ছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা। যদি দ্রুত জমি অধিগ্রহণ না করা যায়, তাহলে ইন্টারচেঞ্জের কাজটা শেষ করতে আরও সময় লাগবে বলেও তিনি জানান।