ঢাকা | মে ২৪, ২০২৪ - ৭:০৮ পূর্বাহ্ন

মায়ের প্রেমিকদের নিয়ে বাবাকে হত্যা, ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৪

  • আপডেট: Saturday, July 30, 2022 - 11:32 am

অনলাইন ডেস্ক: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজজেলায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালক ফখরুল ইসলামকে (৫৫) শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ গাছে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজায় খুনিরা।

তবে এতে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের ছেলেসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন, নিহত ফখরুল ইসলামের ছেলে উজ্জল আহমদ, সোহাগ মিয়ার ছেলে সেলিম উদ্দিন, মৃত সুনু মিয়ার ছেলে মস্তাব উদ্দিন ও বকুল মিয়ার ছেলে কবির আহমদ।

থানায় নিহতের বোন সুফিয়া বেগমের করা হত্যা মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ইটাউরী গ্রামের অটোরিকশা চালক ফখরুল ইসলামের স্ত্রী দিলারা বেগম পরকিয়ায় জড়িত। এনিয়ে প্রায়ই তার সঙ্গে ফখরুল ইসলামের দাম্পত্য কলহ হতো। এতে ছেলে উজ্জল আহমদ মায়ের পক্ষ নিত।

এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) ভোরবেলা গ্রামের সুনু মিয়ার পরিত্যক্ত বাড়ির লিচু গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় ফখরুল ইসলামের মরদেহ পাওয়া যায়। এ সময় ফখরুল ইসলাম আত্মহত্যা করেছেন বলে তার স্ত্রী, পরকিয়া প্রেমিকরা ও ছেলে প্রচার করে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে পৌঁছে ফখরুল ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তার বোন সুফিয়া বেগম বুধবার রাতে স্ত্রী দিলারা বেগম, ছেলে উজ্জল আহমদ, পরকিয়া প্রেমিক সেলিম উদ্দিন, মস্তাব উদ্দিন এবং রহমত আলীর নাম উল্লেখ ও আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেন।

সুফিয়া বেগম অভিযোগ করেন তার ভাইয়ের স্ত্রী দিলারা বেগম পরপুরুষে আসক্ত। তিনি (দিলারা বেগম) ছেলে ও পরকিয়া প্রেমিকদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহ লিচু গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, হত্যার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ আসামিকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে গ্রেফতার আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হত্যার মোটিভ উদ্ঘাটনে তাদের রিমান্ডে নেওয়া হবে। নিহতের স্ত্রীসহ অন্যান্য আসামিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সোনালী/জেআর