ঢাকা | মে ২১, ২০২৪ - ৮:১৩ অপরাহ্ন

‘মিনি ব্যাংক’ হিসেবে ব্যবহার হয়েছে আমার বাড়ি,

  • আপডেট: Thursday, July 28, 2022 - 2:35 pm

অনলাইন ডেস্ক:পশ্চিমবঙ্গে এসএসসি কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।

এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) কাছে একটি বড় দাবি করলেন অর্পিতা। অভিনেত্রীর দাবি, তার বাড়িটি ‘মিনি ব্যাংক’ হিসেবে ব্যবহার করছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

তবে অর্পিতার আইনজীবীরা পরবর্তী শুনানিতে অর্পিতার এই বক্তব্য নিয়ে ইডির দাবি প্রত্যাখ্যান করবেন বলে জানা গেছে। মিডিয়াতে তাদের তদন্তের তথ্য ফাঁস করার জন্য সংস্থার নিন্দা করেছেন তারা। আইনজীবীরা ইডির নথিভুক্ত মামলাগুলোতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার কম হওয়া নিয়েও বিতর্ক করতে পারেন বলে জানা গেছে।

দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ২০ কোটি রুপির বেশি নগদ, গয়না এবং বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়। এরপরই ইডি গ্রেফতার করে মন্ত্রী এবং তার সহযোগী অর্পিতাকে।

অর্পিতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া রুপির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। মন্ত্রী এবং অর্পিতার গ্রেফতারের আগেই ভাইরাল হয় এই ছবি। জানা গেছে, অর্পিতা ইডিকে জানিয়েছেন- এই পুরো অর্থ তার বাড়ির একটি ঘরে রাখা হয়েছিল। সেই ঘরে শুধুমাত্র পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তার লোকদেরই প্রবেশের অনুমতি ছিল। অর্পিতা জানিয়ছেন- প্রতি সপ্তাহে অথবা প্রতি ১০ দিনে একবার পার্থ তার বাড়িতে আসতেন।

ইডি সূত্রে জানা গেছে, অর্পিতা তাদেরকে জানিয়েছেন যে তার বাড়ি ছাড়াও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আরও একজন নারীর বাড়িকে ‘মিনি ব্যাংক’ হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। সেই নারীও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে জানা গেছে। অর্পিতা ইডি র্কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন- পার্থ তাকে বলেননি যে ঘরে কত রুপি রাখা হয়েছে।

অর্পিতা আরও জানিয়েছেন, একজন বাঙালি অভিনেতা তাকে ২০১৬ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এবং এরপর থেকে দু’জনেই একে অপরের কাছাকাছি আসেন। জিজ্ঞাসাবাদে অর্পিতা স্বীকার করেছেন, ট্রান্সফার পোস্টিং এবং কলেজে স্বীকৃতি পাওয়ার পরিবর্তে এই ঘুষ নেওয়া হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, পার্থ নিজে কখনওই এসব রুপি আনেননি। নিয়ে এসেছেন তার সহযোগীরা। অন্যদিকে, ইডি তার অফিসে মানিক ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করছে। সূত্র: জিনিউজ