ঢাকা | জুলাই ১৮, ২০২৪ - ১:০৩ পূর্বাহ্ন

রাজশাহী মহানগরীতে জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রমের উদ্বোধন

  • আপডেট: Wednesday, June 15, 2022 - 11:02 pm

 

স্টাফ রিপোর্টার: ‘জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সারাদেশের মতো রাজশাহী মহানগরীতেও ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে নগরীর উপশহরে নিজ বাসভবনে জনশুমারিতে তথ্য দেওয়ার মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

এরপর এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত র‌্যালিতে অংশ নেন তিনি। এ সময় মেয়র বলেন, সারা দেশে ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ১৫ জুন থেকে শুরু হয়ে ২১ জুন পর্যন্ত চলবে। সরকার ঘোষিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে অবদান রাখার অভিপ্রায়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রথম ‘ডিজিটাল শুমারি’ পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। একটি দেশের সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়নে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই কেউ যেন শুমারির গণনা থেকে বাদ না যায় এবং কাউকে যেন একাধিকবার গণনা করা না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এ সময় মেয়র সকলকে তথ্য প্রদানের মাধ্যমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আহবান জানান এবং জনশুমারির সফলতা কামনা করেন।

এ সময় বিভাগীয় পরিসংখ্যান অফিস রাজশাহীর যুগ্ম পরিচালক এসএম আনিসুজ্জামান, জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপপরিচালক কাজল রেখা, বিবিএসের প্রোগ্রামার সাঈদা বেগম, ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনার, সিটি করপোরেশন শুমারি সমন্বয়কারী আসিফ ইকবালসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার জোনাল অফিসার, সুপারভাইজার ও গণনাকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগীয় পরিসংখ্যান অফিসের রাজশাহীর যুগ্ম পরিচালক এসএম আনিসুজ্জামান জানান, বাংলাদেশে প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। দ্বিতীয় জনশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৮১ সালে। এরপর ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে এ কার্যক্রম চলে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী এবং বাংলাদেশে অবস্থানকারী বিদেশী নাগরিকদের তথ্যও এবারের শুমারিতে সংগ্রহ করা হবে।

জনশুমারি ও গৃহগণনার মাধ্যমে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা বেষ্টিত অঞ্চলের সকল গৃহ, সাধারণ, প্রাতিষ্ঠানিক ও বস্তিখানা, ভাসমান জনগোষ্ঠী, খানায় বসবাসরত সকল সদস্যের জনতাত্ত্বিক ও আর্থ-সামাজিক তথ্য, যেমন- গৃহের সংখ্যা ও ধরন, বাসস্থানের মালিকানা, খাবার পানির প্রধান উৎস, টয়লেটের সুবিধা, বিদ্যুৎ সুবিধা, রান্নার জ্বালানির প্রধান উৎস, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, বৈদেশিক রেমিট্যান্স, খানা সদস্যদের বয়স, লিঙ্গ, বৈবাহিক অবস্থা, ধর্ম, প্রতিবন্ধিতা, শিক্ষা, কর্ম, প্রশিক্ষণ, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার, মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, জাতীয়তা, নিজ জেলার বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।