ঢাকা | এপ্রিল ১৬, ২০২৪ - ৮:১৬ পূর্বাহ্ন

কুসিক নির্বাচনে ছয়জনকে সাজা প্রদান

  • আপডেট: Wednesday, June 15, 2022 - 11:45 am

অনলাইন ডেস্ক: কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে সকালে ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এসময় কুমিল্লার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট প্রদান, গোলযোগের চেষ্টার অভিযোগে ছয়জনকে সাজা দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে একজনকে তিন মাসের সাজা দেয়া হয়। অপর পাঁচজনকে ৩ থেকে এক সপ্তাহের সাজা দেয়া হয়।

কুমিল্লা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ছয়জনকে সাজা দেয়া হয়েছে।

এদিকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংরাইশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে পাঁচ বহিরাগতকে সকাল সোয়া ১০ টায় আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ, বিজিবি ও র‌্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বহিরাগতদের এলাকা ছাড়ার জন্য মাইকিং করেন।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, এদিন সকাল ৮টায় নির্ধারিত সময়েই এ নগরীর ১০৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে।

এদিকে নগরজুড়ে বাড়তি পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ভোটকেন্দ্রের আশপাশের এলাকায় বাড়তি সতর্কতা রয়েছে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯২ নারীসহ মোট ভোটার ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন। এবার এ নির্বাচনে ৫ মেয়র প্রার্থী, ৯টি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৬ নারী কাউন্সিলর প্রার্থী এবং ২৫টি ওয়ার্ডে ১০৮ কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২টি ওয়ার্ড ৫ ও ১০নং ওয়ার্ডে একক প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দুজন কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।

সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জেলায় ১ হাজার ২৬০ আনসারসহ ৩ হাজার ৬০৮ জন পুলিশ সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৭৫টি চেক পোস্ট, স্ট্রাইকিং ফোর্স, ৫০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৯ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১৫ প্লাটুন বিজিবি এবং র‌্যাব নিয়োগ করা হয়েছে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর দুটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৭ সালের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ২ লাখ ৭ হাজার ৫৬৬ জন। ভোট পড়েছিল ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৯০। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু পেয়েছিলেন ৬৮ হাজার ৯৪৮ ভোট, আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনজুম সুলতানার নৌকা পেয়েছিল ৫৭ হাজার ৮৬৩ ভোট।

এর আগে সিটি করপোরেশন গঠন হওয়ার পর ২০১২ সালের প্রথম নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ আফজল খান। সেই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছিলেন মনিরুল হক সাক্কু।

সোনালী/জেআর