ঢাকা | জুলাই ১৯, ২০২৪ - ৩:৫৪ অপরাহ্ন

সীতাকুণ্ডে ৩ সংখ্যালঘু নারীকে পেটানোর ভিডিও ভাইরাল

  • আপডেট: Saturday, June 4, 2022 - 12:30 pm

অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের জোড়বটতল এলাকায় তিন সংখ্যালঘু নারীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। তাদের পেটানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

জাম পাড়তে বাধা দেওয়ায় ওই নারীদের পেটানো হয় বলে জানা গেছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তবে এ ঘটনায় শনিবার সকাল পর্যন্ত কেউ মামলা করেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আহত তিনজন হলেন যোগেন্দ্র চন্দ্র দাসের স্ত্রী শ্রীমতি রানী দাস (৩০), মিলন চন্দ্র দাসের স্ত্রী অঞ্জনা রানী দাস (৩২) ও কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের স্ত্রী রীমা রানী দাস (২৭)। আহত তিন নারীকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, তৌহিদুল ইসলাম ও আলমগীর নামের দুজন লাঠি হাতে ওই তিন নারীর দিকে তেড়ে আসেন। একপর্যায়ে তৌহিদুল এক নারীকে মারধর করেন। পরে আলমগীরও এর সঙ্গে যুক্ত হন। তিন নারীকে বেধড়ক মারধর করে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়।

যোগেন্দ্র চন্দ্র দাসের ভাই প্রবাসী তপন দাস মুঠোফোনে জানান, তারা প্রবাসে থাকার সুবাদে জাল দলিল করে তাদের সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা করছেন তৌহিদুলরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের গাছ থেকে জাম পাড়তে গেলে পরিবারের নারী সদস্যরা বাধা দেন। তাদের পিটিয়ে আহত করেন তৌহিদুল ও আলমগীর। তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যরা সবাই প্রবাসে থাকেন। বাড়িতে এমন কেউ নেই যে থানায় গিয়ে মামলা করবেন। এ বিষয়ে তিনি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

অভিযুক্ত তৌহিদুল ইসলাম দাবি করেন, তাদের গাছ থেকে জাম পাড়তে গেলে তিন নারী বাধা দেন। এ সময় নারীরা তাদের ওপর হামলা চালালে তারাও তাঁদের মারধর করেন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবারের নির্যাতনের ভিডিও তিনি দেখেছেন।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঘটনার পরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনো এই বিষয়ে ভুক্তভোগী নারীদের কেউ মামলা করতে আসেননি। মামলা করার পর আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানান তিনি।

সোনালী/জেআর