ঢাকা | জুলাই ২৪, ২০২৪ - ১২:৩৪ অপরাহ্ন

ঢাকা কলেজের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, ফের সব বন্ধ

  • আপডেট: Wednesday, April 20, 2022 - 7:39 pm

 

অনলাইন ডেস্ক: দেড় দিন ধরে সংঘর্ষ চলার পর বুধবার বিকেলে খুলতে শুরু করেছিল নিউমার্কেট এলাকার দোকানপাট। কিন্তু বেশ কয়েকটি হাতবোমা বিস্ফোরণের পর তা আবার বন্ধ হয়ে গেছে।

বুধবার বিকালে ঢাকা কলেজের সামনে অন্তত এক ডজন হাতবোমার বিস্ফোরণের পর মিরপুর সড়কেও যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

সূত্র জানায়, মঙ্গলবারের ব্যাপক সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি আপাত শান্ত দেখে সকাল থেকে ওই এলাকায় যান চলাচল শুরুর পাশাপাশি মানুষও চলাচল করছিল। কিন্তু হাতবোমার বিস্ফোরণের পর নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় পথচারীরা আবার সরে পড়তে থাকে।

বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে ধারাবাহিকভাবে ১০-১২টি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটে। দুটি বিস্ফোরণ গটে কলেজের সামনে সড়কের উপর।

এই বিস্ফোরণ কারা ঘটিয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিস্ফোরণের সময় ঢাকা কলেজের ফটকের সামনে জড়ো হওয়া শিক্ষার্থীদের হাততালি দিতে দেখা গেছে।

সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ পরিদর্শক গিয়াস উদ্দীন বলেন, কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ পেয়েছি। যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ওই এলাকায় আবার যেন সংঘর্ষ বাঁধতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

কলেজের সামনে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর জটলা রয়েছে। পুলিশের একটি দল কলেজের বিপরীত পাশে চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের দক্ষিণ পূর্ব কোণে সামনে অবস্থান নিয়ে আছে, সেখানে একটি এপিসিও রয়েছে।

সংঘর্ষের অবসান ঘটিয়ে শান্তির আহ্বান জানিয়ে সাদা পতাকা উড়িয়ে ঢাকা কলেজের বিপরীত পাশের ধানমণ্ডি হকার্স মার্কেটের কিছু দোকান খুলেছিল। সেগুলো বন্ধ হয়ে যায় বিস্ফোরণের পরপরই।

ওই এলাকার ৭৫টির মতো বিপণি বিতানের মধ্যে বেশ কয়েকটিতে বুধবার দোকান খুলেছিল। চন্দ্রিমা, নিউ মার্কেট, ঢাকা নিউ সুপার মার্কেটের দোকানগুলো খোলেনি।

এদিকে এর আগেই ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী ও নিউমার্কেটের দোকান মালিক-কর্মচারীরা সড়কে অবস্থান নেয়। এসময় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।

বুধবার বিকেল ৫টার পর মিরপুর সড়ক বন্ধ করে দেয় তারা। পরে পুলিশ ও কলেজ কর্তৃপক্ষের চেষ্টায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এ বিষয়ে ঢাকা কলেজের শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস শিকদার বলেন, আজ সারাদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি। ইফতার এর পর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসবো। সেখানে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ও থাকবে।

তিনি আরও বলেন, সারাদিন মার্কেট বন্ধ রেখে শেষ সময়ে এসে দোকান খোলা ঠিক হয়নি।

নিউমার্কেট এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, তারা দোকান-পাট খোলার প্রস্তুতি নিতেই শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসে।

ওই এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুল পরিমান পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।