ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৪ - ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

মোহনপুরে মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

  • আপডেট: Sunday, April 17, 2022 - 10:39 pm

মোহনপুর প্রতিনিধি: মোহনপুর উপজেলার সিন্দুরী জাগরনী মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির কোন সদস্য মৎস্যজীবী নন বলে অভিযোগ উঠেছে। মোহনপুর উপজেলার সিন্দুরী জাগরনী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি কেফাতুল্লা সরদার তিনজন মৃত ব্যক্তিকে সমিতির সদস্য করে তাদের স্বাক্ষর জাল করে নিজের ইচ্ছামত সমিতির সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সমবায় অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

জানা গেছে, মৎস্যজীবী হিসেবে প্রত্যয়নপত্র থাকলে জলমহাল বন্দোবস্ত পেতে আবেদন করা যায়। আর এই প্রত্যয়নপত্র পাওয়ার জন্য অবশ্যই সমিতির সদস্য হতে হয়। এ কারণে মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি পদটি লোভনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি ২০০৯ অনুযায়ী ‘যিনি প্রাকৃতিক উৎস হতে মাছ শিকার এবং বিক্রয় করেই প্রধানত জীবিকা নির্বাহ করেন, তিনিই মৎস্যজীবী বলে গণ্য হবেন’। সে হিসাবে সিন্দুরী জাগরনী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের একজনও প্রকৃত মৎস্যজীবী নন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সিন্দুরী জাগরনী মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি কেফাতুল্লা সরদার সমতির ২২ জন সদস্যর মধ্যে তিনজন মৃত ব্যক্তিসহ অধিকাংশ সদস্যর স্বাক্ষর জাল করে উপজেলা সমবায় অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সহযোগিতায় নিজের ইচ্ছামত চালিয়ে যাচ্ছেন সমিতির সকল কার্যক্রম। সমিতির হিসাব চাইলে সভাপতি কেফাতুল্লা সরদার বিভিন্ন ভাবে টালবাহানা করতে থাকেন। ময়েজ উদ্দিন শাহ নামের এক মৃত ব্যক্তিকে সমিতির সদস্য করে তার স্বাক্ষর জাল করায় তার ছেলে বায়েম শাহ বাদি হয়ে উপজেলা সমবায় অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বায়েম শাহ বলেন, আমার বাবা প্রায় ৬/৭ বছর আগে মারা গিয়েছেন। বাবা মারা যাওয়ার পরেও তার স্বাক্ষর জাল করে সমিতির সভাপতি কেফাতুল্লা সরদার সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। সঠিক তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানওয়ার হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি তদন্ত করার জন্য উপজেলা সমবায় অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মোহনপুর উপজেলা সমবায় অফিসার আনিছা দেলোয়ারা আঞ্জু বলেন, বিষয়টি নিয়ে রোববার সকাল থেকে সমিতির সদস্যদের অফিসে ডেকে তদন্ত করা হয়েছে। দুই একদিনের মধ্যে সঠিক তথ্য দেওয়া যাবে।