ঢাকা | জুলাই ১৮, ২০২৪ - ১১:৩৯ অপরাহ্ন

রোজা রেখে ওজন কমাবেন যেভাবে

  • আপডেট: Wednesday, April 13, 2022 - 11:40 am

অনলাইন ডেস্ক: চলছে রমজান মাস। সারা দিন রোজা রাখার পর ইফতারে সবাই চান মুখোরচক খাবার খেতে। এই সময় অজান্তেই অনেকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খেয়ে ফেলেন। পুষ্টিবিদদের মতে, ইফতারের সময় ভাজাভুজি, তেলমসলাদার কিংবা ফ্যাটজাতীয় খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভাল। এই অভ্যাসের কারণে রমজানের পর অনেকেই ওজন বাড়িয়ে ফেলেন। তবে রোজা রাখার সময়ে কিছু নিয়ম মেনে চললেই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যেমন-

পরিমিত চিনি খাওয়ার অভ্যাস: ইফতারে অনেকেই মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে পছন্দ করেন। সারা দিন উপবাসের পর শরীর ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে। ইফতারের সময় মিষ্টি খেলে শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে, কর্মদক্ষতা বেড়ে যায়। তবে মিষ্টিজাতীয় খাবারে ক্যালোরির মাত্রা অনেকটা বেশি থাকে। তাই অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। তাই পরিমিত মিষ্টি খাওয়াই শ্রেয়। একান্তই মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে হলে বিভিন্ন রকম ফল, খেজুর কিংবা বিকল্প চিনি দিয়ে মিষ্টি তৈরি করে খেতে পারেন।

সেহরির সময় না খেয়ে থাকবেন না: সেহরির খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই সেহরিতে খেতে চান না। সেহরিতে কী খাচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করেই সারা দিন রোজা রাখতে হয়। সেহরিতে ভাজাভুজির পরিবর্তে ফাইবার ও কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াই ভাল। এতে দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরা থাকবে আর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

তাড়াহুড়ো করে খাবেন না: রোজা ভাঙার সময়ে অনেকেই তাড়াহুড়া করে বেশি খাবার খান। এটা ঠিক নয়। খাবার উপভোগ করে ভাল করে চিবিয়ে খান। তা না হলে ওজন বাড়তে পারে। তা ছাড়া ভাল করে চিবিয়ে খেলে হজমও ভাল হয়, ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

একসঙ্গে অনেকটা খাবার খাবেন না: অনেকেই আছেন যারা ইফতারের সময় পেট ভর্তি করে খেয়ে ফেলেন আর রাতের খাবার এড়িয়ে চলেন। এমনটা কখনই করা উচিত নয়। ইফতারের পর কিছু ক্ষণ পর পর খাওয়ার অভ্যাস করুন। রাতের খাবারে যাতে কার্বেহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাটের সঠিক ভারসাম্য থাকে সে দিকে নজর দিন।

শরীরে পানির ঘাটতি হতে দেবেন না: গরমের সময়ে এমনিতেই শরীরে পানির ঘাটতি হয়। তার উপর রোজা রাখলে দিনের অনেকটা সময় পানি খাওয়া যায় না। তাই রোজা ভাঙ্গার পর দু’-তিন লিটার পানি খেতেই হবে। পানির পাশাপাশি বিভিন্ন রকম ফলের রসও খেতে পারেন। এতে শরীরের ভিতরে জমে থাকা টক্সিন পদার্থগুলি বের হয়ে শরীর সুস্থ থাকে।

সোনালী/জেআর