ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৪ - ৫:০৫ পূর্বাহ্ন

বাঘায় ফলের বাজার চড়া

  • আপডেট: Saturday, April 9, 2022 - 10:23 pm

 

বাঘা প্রতিনিধি: বাঘায় আবারও ফলের বাজার চড়া। বাঘা পৌর সদরসহ উপজেলার হাটবাজারের ফলের দোকানগুলোতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাতে ব্যস্ত ফল ব্যবসায়ীরা। কোথাও কোনো শৃঙ্খলা নেই। রমজান মাসকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীরা চড়ামূল্যে ফল বিক্রি করে অতি মুনাফা তুলে নিচ্ছেন। ফলে ক্রেতারা তাদের কাছে এক প্রকার জিম্মি হয়ে পড়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, রমজান উপলক্ষে যেসব ফল বেশি বিক্রি হয় মূলত সেসব ফলের দামই চড়া। এর মধ্যে রয়েছে আপেল, আঙুর, খেজুর, মাল্টা, আনারসসহ বেশ কয়েকটি ফল অতি উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। ভোক্তাদের অভিযোগ, রমজানের আগে আঙুরের দাম ছিল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি। এখন বিক্রি করা হচ্ছে দুই শ’ টাকা থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। আপেল ছিল কেজি প্রতি ১২০ টাকা থেকে প্রকারভেদে ১৬০ টাকা। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০০ টাকায়। রমজানের আগে খুচরা বাজারে মাল্টা বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি ১৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকা। একলাফে সেটা এখন ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

এদিকে এক সপ্তাহ পূর্বে যে তরমুজ ১৫০ টাকা থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে একলাফে সে তরমুজের মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত। লেবুর দাম গত সপ্তাহে ছিল এক হালি ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা। বর্তমানে একহালি লেবুর দাম ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত। খেজুরের হরেক রকম দাম লক্ষ করা গেছে। ১২০ টাকা থেকে শুরু করে এক হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে। খেজুরের বাজারেও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এলাকা ভেদে একই খেজুর একেক দামে বিক্রি করা হচ্ছে। আজ বাঘাতে এক ব্যবসায়ী আম্মার খেজুর বিক্রি করেন আটশত টাকা কেজি দরে। ওই একই খেজুর রাজশাহী, নাটোর ও বগুড়া বিক্রি করা হচ্ছে এক ৬শত থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত। সবচেয়ে নিম্নমানের খেজুর বিক্রি করা হচ্ছে ১২০-১৫০ টাকায়। প্রকারভেদে ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে হরেক রকম দামের খেজুরে বাজার সয়লাব। এছাড়াও লাগামহীন দাম বেড়েছে, তরমুজ, কলা ইত্যাদির।

রোজায় ফলের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম বলে দাবি করছেন পাইকারি ফল বিক্রেতারা। অপরদিকে খুচরা ব্যাবসায়ীরা বলছেন, বাজারে ফলের দাম চড়া। আড়তদারদের থেকে অধিক দামে ফল ক্রয় করতে হচ্ছে। তাই বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। রোজার শুরুতে ফলমূল বেশি কেনার তাড়া থাকলেও মাঝামাঝি সময়ে চাহিদা কমতে পারে। সেসময় অধিকাংশ ফলের দাম কিছুটা কমতে পারে।