ঢাকা | জুলাই ১৩, ২০২৪ - ১:৫৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের সঠিক পথেই আছে বাংলাদেশ

  • আপডেট: Wednesday, April 6, 2022 - 5:57 pm

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের অর্থনীতি টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের ‘সঠিক পথেই’আছে বলে জানিয়েছেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

বুধবার এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং ভার্চুয়ালি এ তথ্য তুলে ধরেন।

এডিবির প্রতিবেদন এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুকে বলা হয়, বৈদেশিক বাণিজ্যের পাশাপাশি দেশের ভেতরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও গতি সঞ্চার হয়েছে, তারই প্রতিফলন ঘটেছে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস। মহামারীর অভিঘাত সামাল দিতে সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজের বাস্তবায়ন এবং রেমিটেন্স প্রবাহও এক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। এই ধারা চললে ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি পৌঁছাতে পারে ৭ দশমিক ১ শতাংশে।

অবশ্য প্রবৃদ্ধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মূল্যস্ফীতি বাড়ার পূর্বাভাসও দেয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ৫ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে মূল্যস্ফীতি ২০২২ সালে পৌঁছতে পারে ৬ শতাংশে।

তাছাড়া আমদানি বৃদ্ধি ও রেমিটেন্স প্রবাহে টান পড়ায় চলতি হিসাবের ঘাটতিও বাড়বে বলে মনে করছে এডিবি। ২০২১ সালে সকারের চলতি হিসাবের ঘাটতি ছিলো জিডিপির শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ যা ২০২২ সালে বেড়ে জিডিপির ২ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার বাড়ার ক্ষেত্রে তেল ও আমদানি খাতে মূল্য বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয় কমাকে মূল ঝুঁকি হিসেবে দেখানো হয়েছে এডিবির প্রতিবেদনে। ইউক্রেইনে রাশিয়ার আগ্রাসনের কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

এডিবির আবাসিক প্রতিনিধি এডিমন গিনটিং বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদের গতিশীলতা, পণ্য ও সেবা প্রস্তুতে বেসরকারি খাতে প্রণোদনা, পরিবেশ বান্ধব আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন উৎসাহিত করা, এবং শিক্ষা ও উদ্ভাবন জোরদার করার মাধ্যমে চলমান আর্থ-সামাজিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করা দরকার।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় সক্ষম অবকাঠামো ও সেবা খাত গড়ে তোলা, জীবাশ্ম জ্বালানিতে কার্বন ট্যাক্স আরোপ ও পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগকে উৎসাহ দেয়া হলে জলবায়ু পরিবর্তনের ব্যবস্থাপনার সমন্বিত ও টেকসই পরিবেশবান্ধব প্রবৃদ্ধি বর্তমান নীতি উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নেবে।

এডিবির ২০২২ সালের আউটলুকে বলা হয়, যেহেতু বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ এবং শিল্পখাতের কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি বেড়েছে, সেহেতু এ বছর বেসরকারি বিনিয়োগ আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি বড় আকারের তহবিল পাইপলাইনে থাকায় অগ্রাধিকারভিত্তিক বড় অবকাঠামো প্রকল্পগুলোতে সহায়তা বাস্তবায়নে সরকারি বিনিয়োগও বাড়বে।

তবে, রেমিটেন্স প্রবাহে টান পড়ায় ব্যক্তি পর্যায়ের ব্যয় কমতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

সোনালী/জেআর