ঢাকা | ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২৪ - ২:২৩ অপরাহ্ন

দেশের সড়ক নিরাপত্তায় ৩০৮৬ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

  • আপডেট: Tuesday, March 29, 2022 - 6:27 pm

 

অনলাইন ডেস্ক: দেশের সড়ক নিরাপত্তায় ৩৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (৮৬.২০ টাকা ধরে) তিন হাজার ৮৬ কোটি টাকা। ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় সোমবার সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে রোড সেফটি প্রজেক্টের আওতায় এ অর্থ অনুমোদন দেওয়া হয়।

আজ মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় এ তথ্য জানায়। সংস্থাটি থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, প্রকল্পটির মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা পরিমাপ, উন্নত নকশা, প্রকৌশল সুবিধা, গতি প্রয়োগ, জরুরি সেবাসহ ব্যাপক সড়ক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।

বাংলাদেশের জন্য সড়ক নিরাপত্তা উন্নত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অগ্রাধিকার বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্ব। বলেন, বাংলাদেশে সড়ক নিরাপত্তায় অর্থায়ন করতে পেরে বিশ্বব্যাংক আনন্দিত। দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম বাংলাদেশে সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পে ঋণ দিচ্ছে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাটি। সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে ও মানুষের জীবনের মর্মান্তিক ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য প্রকল্পটি একটি ব্যাপক কর্মসূচি তৈরি করতে সাহায্য করবে বলে জানান মার্সি টেম্ব।

জানা যায়, প্রকল্পের আওতায় সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে পাঁচ হাজার কিলোমিটার মহাসড়ক নিরাপদ করা হবে। অগ্রাধিকার বিবেচনায় বিভিন্ন ইন্টার সেকশনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি মাত্রার পূর্ত কাজের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন, ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য সংস্থার ব্যবহারের জন্য জাতীয় ডাটা সিস্টেম স্থাপন করা হবে।

জয়দেবপুর থেকে এলেঙ্গা ও নাটোর থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত ১৪০ কিলোমিটার মহাসড়কে বসানো হবে সিসিটিভি, ইন্টিগ্রেটেড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনসিডেন্ট ডিটেকশন সিস্টেম। কেউ বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালালে এবং কোনো দুর্ঘটনা ঘটালে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধরা পড়বে।

ইতিমধ্যে জয়দেবপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত ও নাটোর থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত সড়কে বসতে শুরু করেছে নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ ডিভাইস। এই দুই সড়কে ৭০ কিলোমিটার করে ১৪০ কিলোমিটারে কাজ চলছে। এই দুই মহাসড়কে ৩০ শতাংশের বেশি সড়ক দুর্ঘটনা কমানো সক্ষম হবে বলে আশা করা হয়।

সারা দেশে মোট সড়ক ২১ হাজার ৫৯৫ কিলোমিটার। এর মধ্যে এক হাজার ৬৭২ কিলোমিটার সড়ক ‘মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত। এসব সড়কে বসানো হবে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ প্রযুক্তি।