ঢাকা | জুলাই ২০, ২০২৪ - ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন

চলতি অর্থবছরে খাদ্যশস্য ঘাটতির আশঙ্কা নেই: সংসদে খাদ্যমন্ত্রী

  • আপডেট: Tuesday, March 29, 2022 - 1:52 pm

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার সংসদকে জানিয়েছেন, চলতি অর্থ বছরে দেশে খাদ্যশস্য ঘাটতির কোন আশঙ্কা নেই। গত অর্থ বছরেও খাদ্যশস্যের ঘাটতি ছিল না। সরকারি দলের সদস্য আলী আজমের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হলে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

ভোলা-২ আসনের সদস্য আলী আজমের এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জানান, দেশে ২০২০-২১ অর্থ বছরে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি ছিল না এবং ২০২১-২২ অর্থ বছরেও হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

তিনি আরও জানান, ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয় ৪০৭ দশমিক ৭ লাখ মে. টন (চাল ৩৯৪ দশমিক ৮১ লাখ মে. টন ও গম ১২ দশমিক ২৬ লাখ মে. টন) খাদ্যশস্যের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভে (এইচ আই ই এস-২০১৬) অনুসারে মানুষের দৈনিক গড় খাদ্যশস্য গ্রহণের পরিমাণ ৩৮৭ গ্রাম (চাল ৩৬৭ দশমিক ২ গ্রাম এবং গম ১০ দশমিক ৮ গ্রাম)। সে হিসেবে ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬৯ দশমিক ৩০ মিলিয়ন হলে (প্রাক্কলিত) মোট খাদ্যশস্যের প্রয়োজন ছিল ২৩৯ দশমিক ১৪ লাখ মে. টন (চাল ২২৬ দশমিক ৯০ লাখ মে. টন এবং গম ১২ দশমিক ২৪ লাখ মে. টন) যা ২০২০-২১ অর্থবছরে খাদ্যশস্যের মোট উৎপদানের তুলনায় কম। আবার দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এক দশমিক ৩৭* বিবেচনায় ২০২২ সালের ১ জানুয়ারিতে দেশের মোট জনসংখ্যা দাঁড়াবে ১৭১ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন (প্রাক্কলিত)। সে হিসেবে দেশে খাদ্যশস্যের মোট চাহিদা হবে ২৪২ দশমিক ৩০ লাখ মে. টন তাও ২০২১-২২ অর্থবছরের খাদ্যশস্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম। সুতারং দেশে খাদ্য ঘাটতির কোনো আশঙ্কা নেই।

সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ মমতা হেনার প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জানান, আগামী ১ এপ্রিল থেকে অভ্যন্তরীণ গম সংগ্রহ এবং ২৮ এপ্রিল থেকে বোরো সংগ্রহের মৌসুম শুরু হবে।

বিএনপির সাংসদ মোশারফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী জানান, আসন্ন অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ-২০২২ মৌসুমে সরকার সাড়ে ৬ লাখ টন ধান, ১১ লাখ টন সিদ্ধ চাল এবং ৫০ হাজার টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোনালী/জেআর