ঢাকা | মে ৩০, ২০২৪ - ৪:০২ অপরাহ্ন

‘ইউক্রেনের আকাশে যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি বেড়েছে’

  • আপডেট: Tuesday, March 22, 2022 - 12:22 pm

অনলাইন ডেস্ক: ইউক্রেনের আকাশসীমায় রুশ বাহিনীর যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি বেড়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। ইউক্রেনের এয়ার ফোর্স কমান্ডের এক বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই উপস্থিতি গত ২৪ ঘণ্টায় বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার বিবিসির লাইভ আপডেটে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। বিবৃতির বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হচ্ছে, ইউক্রেনের আকাশসীমায় মনুষ্যবিহীন অনেক আকাশযান ব্যবহারের পাশাপাশি বোমারু বিমান, হামলা ও যুদ্ধবিমান, ক্রুজ মিসাইল এবং ব্যালিস্টিক মিসাইলের ব্যবহার হচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, সোমবার ইউক্রেন রাশিয়ার একটি বিমান, দুটি হেলিকপ্টার এবং ছয়টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। তবে বিবিসি এসব দাবির সত্যতা যাচাই করেনি।

এর আগে সোমবার প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, তার দেশের বাহিনী রাশিয়াকে উপসাগর থেকে অনেক দূরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। রুশ বাহিনী ‘ধীরে ধীরে’ অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে আর তাদের প্রচেষ্টাকে এখনও পর্যন্ত ‘প্রতিহত’ করেছে আমাদের বাহিনী।

রুশ বাহিনীকে তারা ‘দমিয়ে দিতে’ সক্ষম হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। জেলেনস্কি আরও দাবি করেন, ইউক্রেনের বাহিনী খারকিভ অঞ্চলে রাশিয়ার আরেকটি বিমান ভূপাতিত করেছে।

রাশিয়ার যুদ্ধবিমানের পাইলটদের কথা বলতে গিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তাদের অবশ্যই হৃদয়ের পরিবর্তে শূন্যতা রয়েছে। একটি আত্মার পরিবর্তে। সবকিছুর পরিবর্তে, যা মানুষকে মানুষ করে।’

এদিকে সোমবার ইউক্রেনের মারিউপোল শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ইউক্রেনীয় সেনাদের আত্মসমর্পণের প্রস্তাব দেয় মস্কো। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করে কিয়েভ বলে, শেষ সৈন্য বেঁচে থাকা পর্যন্ত লড়াই চলবে।

শহরটিতে তাদের পরাজয় হলে সেটি হবে রাশিয়ার জন্য কৌশলগত বিজয়। সেখান থেকে ক্রিমিয়ায় সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন রুশ সেনারা। মারিউপোলে আটকে পড়া বাসিন্দারা বলছেন, তাদের শহরটি এখন কার্যত পৃথিবীর বুকে এক নরক।

মারিউপোল আজভ সাগরের তীরে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর। প্রথমত, সেখানে পরাজয় হলে আজভ সাগরের সঙ্গে একেবারেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে ইউক্রেন। দ্বিতীয়ত, এটি যুদ্ধে রাশিয়াকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে।

ক্রিমিয়ায় পানি সরবরাহের যে খালের মুখে ইউক্রেন বাঁধ দিয়েছে, সেটি খুলে দিতে পারবে রাশিয়া। যে কারণে এই যুদ্ধে ইউক্রেনের পক্ষে থাকা দেশগুলোর নজর এখন মারিউপোলের দিকে।

সোনালী/জেআর