ঢাকা | জুলাই ১৯, ২০২৪ - ৩:৫৬ পূর্বাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ জাতিকে পথ দেখাবে

  • আপডেট: Thursday, March 17, 2022 - 12:25 am

১৭ মার্চ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশুদিবস। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে রাজশাহীসহ সারা দেশে ব্যাপক কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাই তাঁর জন্মদিনকে শিশুদের জন্য উৎসর্গ করে বাংলাদেশে এ দিনটি জাতীয় শিশুদিবস হিসেবেও পালিত হয়।

জন্ম থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের হাতে মৃত্যু পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর অনুকরণীয় ভূমিকা এখন আর অজানা বিষয় নয়। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রাবস্থায় শেখ মুজিব যে সংগ্রাম শুরু করেন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরও তা থেমে যায়নি। পাকিস্তানী শাসকদের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ভাষার অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার, স্বায়ত্তশাসন-স্বাধীকারের আন্দোলনকে স্বাধীনতার সংগ্রামে উন্নীত করার ধারাবাহিক আন্দোলনই তাঁকে ‘বঙ্গবন্ধুতে’ পরিণত করে। তাঁর বজ্রকণ্ঠের ডাকেই মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমে বাঙালি জাতি বিশ্ব দরবারে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর পরিচয় আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।

স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় স্বাধীনতাবিরোধী ও সাম্রাজ্যবাদী ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। এই বিপর্যয় কাটিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে দেশ আবারও বিশ্বের সামনে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে চমক লাগানো উন্নয়নের সাফল্য নিয়ে। এই প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর ১০২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের মাধ্যমে জাতি তাঁর আদর্শে নতুন করে উদ্বুদ্ধ হবে, চেতনায় শানিত হবে। এতে সন্দেহের অবকাশ নেই।

দেশজুড়ে আজকের অনুষ্ঠানমালা জাতিকে দিক নির্দেশনা দেবে মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্যে এগিয়ে চলার। দুর্নীতি,সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করে সমতাভিত্তিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে নতুন করে শপথ নেবার দিন আজ।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবস সফল হোক। এ উপলক্ষে সবাইকে প্রীতি ও শুভেচ্ছা।