ঢাকা | জুলাই ২০, ২০২৪ - ১:৪৯ পূর্বাহ্ন

নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য মজুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ

  • আপডেট: Tuesday, March 15, 2022 - 12:42 pm

অনলাইন ডেস্ক: নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য মজুতকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি এসব ঘটনায় যারা গ্রেফতার হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, সে বিষয়েও আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।

বাণিজ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া আদেশে ওএমএস নীতিমালা অনুযায়ী সারাদেশে চাল, আটা, তেল, পেঁয়াজ, ডাল রেশন কার্ডের মাধ্যমে বিতরণের জন্য বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন তিন রিটকারী আইনজীবী মনির হোসেন, সৈয়দ মহিদুল কবীর ও মোহাম্মদ উল্লাহ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতিকার চাকমা।

গত ৬ মার্চ সয়াবিন তেলের মূল্য নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং সেল গঠন ও নীতিমালা প্রনয়ণের নির্দেশণা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। রিটে সয়াবিন তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং সেল গঠন এবং নীতিমালা প্রনয়ণের নির্দেশনা চান সুপ্রিম কোর্টের উল্লেখিত তিন আইনজীবী। তারা সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন হাইকোর্টের নজরে আনেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সয়াবিন তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়ে দিয়েছে। ২ মার্চ বাজারে ক্রেতাদের কাছ থেকে এক লিটার খোলা সয়াবিনের দাম রাখা হয়েছে ১৭৫ টাকা। অথচ সরকার এক লিটার খোলা সয়াবিনের দাম ১৪৩ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে।

রিটে বাণিজ্য সচিব, ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়। এরপর তিনদিন এ বিষয়ে শুনানি গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। এরমধ্যে হাইকোর্ট গত সোমবার রিট সংশোধন করে শুধু সায়বিন তেল নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির বিষয়টি যুক্ত করে রিট দাখিলের নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রিটটি সংশোধন করে হাইকোর্টে দাখিল করা হয়।

সোনালী/জেআর