ঢাকা | জুলাই ১৮, ২০২৪ - ১:১০ পূর্বাহ্ন

পবায় আ’লীগের সম্মেলন ঘিরে উৎসবের আমেজ

  • আপডেট: Wednesday, March 2, 2022 - 4:04 pm

স্টাফ রিপোর্টার: পবায় আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে সার্থক ও সফল করতে উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। চলছে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা, সম্মেলন আর নতুন কমিটি গঠন।

পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন আগামী ৫ মার্চ নওহাটা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনকে ঘিরে উপজেলা জুড়ে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। গত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালে দামকুড়া স্কুল মাঠে। ওই সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন মাজদার রহমান সরকার।

আগামী ৫ মার্চের সম্মেলনে সভাপতি পদে এখন পর্যন্ত বর্তমান সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলীর নাম শোনা যাচ্ছে। সম্ভবত সভাপতি পদে এখানে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী নেই। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে অসুস্থতার কারণে আর দায়িত্ব পালন করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন মাজদার রহমান সরকার। ফলে এই পদে বেশ কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছেন নওহাটা পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান হাফিজ, পবা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এমদাদ, পারিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সোহরাব আলী, পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ফারুক হোসেন ডাবলু, পবা উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ও পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম।

এরই মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশি পারিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ থেকে সোহরাব আলী পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি গতকাল বুধবার পবা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলীর নিকট পদত্যাগপত্র জমা দেন। পবা উপজেলা আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সোহরাব আলী পদত্যাগপত্র দাখিল করেছেন। আগামী শুক্রবার এর ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দলটির নেতা-কমীদের মাঝে ব্যাপক উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বিশেষ করে সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশি সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ অবস্থান শক্ত করতে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা একদিকে তৃণমূলের ভোটার এবং অন্যদিকে ঊর্ধ্বতন নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। আবার প্রার্থীরা একে অপরকে দোষারোপ করতেও ছাড়ছেন না। তবে সাধারণ নেতা কর্মীদের দাবি ভোটের মাধ্যমে যেন তাদের নেতা নির্বাচিত হয়। একই সাথে বিতর্কিত কাউকে দলে ঠাঁই না দেয়ার দাবি তাদের।