ঢাকা | জুলাই ১৩, ২০২৪ - ৬:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

মেলিতোপোল দখল করতে পারেনি রাশিয়া: যুক্তরাজ্য

  • আপডেট: Saturday, February 26, 2022 - 2:35 pm

অনলাইন ডেস্ক: ইউক্রেনের শহর মেলিতোপোল দখল করতে পারেনি রাশিয়ার বাহিনী। এমনকি রুশ সৈন্যদের কিয়েভে প্রবেশেও প্রবল বাঁধা দিয়েছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। শনিবার ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক মন্ত্রী জেমস হিপি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন।

হিপি বলেছেন, ব্রিটেনের মূল্যায়ন হলো—রাশিয়া বৃহস্পতিবার যে লক্ষ্যে নিয়ে ইউক্রেন আক্রমণ করেছিল তা এখন পর্যন্ত অর্জন করতে পারেনি।

বিবিসি রেডিওকে হিপি বলেন, ‘এমনকি মেলিতোপোল শহর—যা রাশিয়ানরা দখল করেছে বলে দাবি করেছে, কিন্তু তাঁরা এটি প্রমাণ করতে পারবে না। সবই এখনো ইউক্রেনের হাতে রয়েছে। এ ছাড়া কিয়েভের উপকণ্ঠে যে যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে, তা মূলত রুশ সেনাবাহিনীর বিশেষ একটি দল ও প্যারাট্রুপারদের অবতরণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাস্তবতা হলো বেলারুশ থেকে রুশ সেনাবাহিনীর যে সাঁজোয়া বহর নেমে এসে থেকে কিয়েভকে ঘিরে ফেলতে যাচ্ছিল সেগুলো এখনো কিছুটা উত্তরে রয়েছে। ইউক্রেনের সৈন্যরা তাঁদের অবিশ্বাস্যভাবে প্রতিরোধ করেছে।’

এ ছাড়া হিপি আরও বলেছেন, ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস শুক্রবার আরও ২৫টি দেশের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। দেশগুলো ইউক্রেনে আরও সামরিক ও মানবিক সহায়তা প্রদানে সম্মত হয়েছে। তিনি বলেন, সাহায্য বিতরণে দেশগুলো একসঙ্গ কাজ করবে।

এ দিকে ইউক্রেনে রুশ হামলার তৃতীয় দিনে রাজধানী কিয়েভে প্রবল প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়েছে রুশ সেনাবাহিনীকে। শনিবার ইউক্রেন সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার রাতভর প্রবল যুদ্ধের পর শনিবার দেশটির রাজধানী কিয়েভের প্রধান প্রধান সড়কগুলো দিয়ে রুশ বাহিনী শহরের প্রবেশের চেষ্টা চালালে তাঁদের প্রতিরোধ করা হয়। রুশ গোলন্দাজ ও পদাতিক বাহিনী কিয়েভে সেভাবে সুবিধা করতে পারেনি। তবে ক্ষেপণাস্ত্র ও কামানের গোলায় কিয়েভের বেশ কিছু আবাসিক বাসভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিবিসি ইউক্রেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, রুশ হামলার পর দেশটিতে অন্তত ১৯৮ জন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত আরও ১ হাজারেরও অধিক মানুষ মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। এবং যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিগত ৪৮ ঘণ্টায় ১ লাখেরও অধিক মানুষ ইউক্রেন ত্যাগ করেছেন।