স্টাফ রিপোর্টার : শিড়্গা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স’ায়ী কমিটির সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেছেন, শিড়্গাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ শিড়্গার্থীদের ওপর খুব প্রভাব ফেলে। প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সুন্দর হলে শিড়্গার্থীরা পড়াশোনায় উৎসাহী হয়। তাই পর্যায়ক্রমে রাজশাহীর সব শিড়্গাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ আরও বেশি মনোরম করে তোলার ব্যবস’া করা হবে।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে নগরীর গোলজারবাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয়তলা অ্যাকাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। রজশাহী-২ (সদর) আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে শিড়্গার কোনো বিকল্প নেই। তাই বিশ্বমানের শিড়্গাব্যবস’া নিশ্চিত করতে হবে। শিড়্গার মান যেমন বাড়াতে হবে তেমনি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নও করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন হলে শিড়্গার্থীরা ভালো পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারবে।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, শিড়্গানগরী হিসেবে রাজশাহীর যে ঐতিহ্য আছে সেটি আমাদের ধরে রাখতে হবে। সেই চেষ্টা আমি করে যাচ্ছি। শিড়্গার মান উন্নয়নে আমি সর্বোচ্চ গুরম্নত্ব দেই। আগে নগরীর অনেক শিড়্গাপ্রতিষ্ঠানের খুব খারাপ অবস’া ছিলো। আমি সেগুলো দূর করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এবং সফলও হয়েছি।
নির্মাণ কাজের মান এবং অগ্রগতি নিয়ে সনেত্মাষ প্রকাশ করে বাদশা বলেন, গোলজারবাগ স্কুলেরও অনেক সমস্যা ছিলো। আমি জানার পরেই ৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকার ব্যবস’া করেছি। এখন এখানে সুন্দর ভবন হচ্ছে। ভবনের কাজ শেষ হলেই শিড়্গার্থীরা সুন্দর পরিবেশ পাবে। এ রকম আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বরাদ্দ দিয়েছি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কাজ আমি পরিদর্শন করেছি । সবগুলোর কাজ সনেত্মাষজনক। দ্রম্নতই কাজ শেষ হবে।
এ সময় ফজলে হোসেন বাদশার সঙ্গে উপসি’ত ছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-২ রজব আলী, ওয়ার্কার্স পার্টির রাজপাড়া থানা সদস্য মোশাররফ হোসেন, শিড়্গা প্রকৌশল অধিদপ্তরের স’ানীয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, গোলজারবাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিড়্গক আমজাদ হোসেন, সহকারী প্রধান শিড়্গক বাইতুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী শিড়্গক আহসান উলস্নাহ, ছাদিকুল ইসলাম, সহকারী শিড়্গক ফারহানা হাবিব প্রমুখ।