স্টাফ রিপোর্টার : সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শেষ হয়েছে ।
রাজশাহী মহানগরীর ফুদকি পাড়ায় পদ্মা নদীতে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকেই শুরম্ন হয় প্রতিমা বিসর্জন, চলে গভীর রাত পর্যনত্ম। চোখের জলে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান ভক্তরা।
পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে এবার নৌকায় চড়ে দূরে বিসর্জন দিতে হয় প্রতিমা। তাই যেকোন অনাকাঙিড়্গত পরিসি’তি রোধে বিসর্জন স’লে উপসি’ত ছিলেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একজন অফিসার, দুইজন ডুবুরী ও দুইজন ফায়ার ম্যান।
দুর্গোৎসবের টানা ৫ দিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মর্তলোক থেকে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা। এবার দেবী ঘোড়ায় চড়ে মর্তলোকে এসেছিলেন, আবার কৈলাসেও ফিরলেন ঘোড়ায় চড়ে।
বিজয়া দশমীর দিনে নগরীর বিভিন্ন পূজাম-প ঘুরে দেখা যায় ভক্তদের উপচেপড়া ভিড়। বিভিন্ন ম-পে নারীরা সিঁদুর খেলায় মেতে উঠে।
এবার জেলায় মোট ৪ শ ৪৭টি এবং মহানগরীতে ৭৭টি ম-পে পূজা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতীমা বিসর্জন উপলড়্গে অপ্রীতিকর পরিসি’তি এড়াতে পুরো নগরীসহ জেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে, প্রতিমা বিসর্জন উপলড়্গে রবীন্দ্র-নজরম্নল মঞ্চে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে প্রতিমা বিসর্জন মনিটরিং কার্যক্রম শুরম্ন করা হয়। এরপর মঞ্চে বিজয়া দশমীর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানসমূহে উপসি’ত ছিলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মো: ডাবলু সরকার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি অনিল কুমার সরকার, ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল হামিদ সরকার টেকন, ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, রাজশাহী মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি অলোক কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক শরৎ চন্দ্র সরকার, কার্তিক চন্দ্র হালদার, রণজিৎ সাহা, উজ্জ্বল কুমার ঘোষ প্রমুখ।
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
রাজশাহী মহানগরীতে শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় মহানগরবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, রাজশাহী মহানগরের সভাপতি ড. সুজিত সরকার, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, রাজশাহী মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি অলোক কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক শরৎ চন্দ্র সরকার।