স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল মঙ্গলবার নগরীতে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যনত্ম বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষ। এই বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন রাসত্মায় ও নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
গতকাল দুপুর থেকে রাজশাহীতে শুরম্ন হয় বৃষ্টি। এই বৃষ্টি ছিলো কখনো ঝিরিঝিরি আবার কখনো মূষলধারে। বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন রাসত্মা ও নীচু এলাকাগুলোতে পানি জমে যায়। এই বৃষ্টিতে মানুষজনকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়, সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন সনাতন ধর্মাবলম্বিরা। গতকাল ছিল দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী। দুপুর থেকে বৃষ্টির পানিতে ভিজেই প্রতিমা বিসর্জনে অংশ নিয়েছেন অনেকেই।
বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন রাসত্মা ও নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাসাবাড়ি ও রাসত্মার পাশে জমে থাকা পানি নিয়ে দুশ্চিনত্মায় রয়েছেন এলাকাবাসি। জনদুর্ভোগ ও মশার উপদ্রব রোধে ড্রেনেজ ব্যবস’া সংস্কার করে জরম্নরিভাবে পানি নিষ্কাশনের সুবিধা করার দাবী তাদের।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানায়, গতকাল এখানে মোট বৃষ্টি হয়েছে ১২ দশমিক ৬ মিলিমিটার। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
ঢাকা অফিসের আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মলিস্নক জানান, আগামী দুই-তিনদিন সারাদেশে বৃষ্টি ও বজ্রপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। আগামী ১১ অক্টোবরের পর থেকে আবহাওয়া পরিসি’তি সামান্য উন্নতি হলেও সপ্তাহ জুড়ে সারাদেশে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে।
আবহাওয়া চিত্রের সাংক্ষিপ্তসারে বলা হয়, মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের উড়িষ্যা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যনত্ম বিসত্মৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যনত্ম বিসত্মৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা দুর্বল অবস’ায় রয়েছে।