এফএনএস: কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলায় পারিবারিক কবরস’ানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে দাফন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তৃতীয় জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা কবরস’ানে আবরারকে দাফন করা হয় বলে জানিয়েছেন ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ। এর আগে, গত সোমবার রাত পৌনে ১০টায় বুয়েট কেন্দ্রীয় মসজিদে আবরারের জানাজা সম্পন্ন হয়। এরপর মরদেহ তার বাবার কাছে হসত্মানত্মর করা হয়। পরে তার মরদেহ দাফনের উদ্দেশে গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গায় গ্রামের বাড়িতে নেয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টায় কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডে অবসি’ত আল-হেরা জামে মসজিদে ফাহাদের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়। আবরারের দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার বাবা বরকত উলস্নাহ বলেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। আমার ছেলেকে ১/২ দু’জন হত্যা করেনি, ১৫ জন মিলে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমি সবার ফাঁসি চাই। পরে তার তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয় সকাল ১০টায়। উলেস্নখ্য, রোববার দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবরারকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস’ায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। গত সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আবরার হত্যাকা-ে জড়িত হিসেবে শনাক্ত করে বুয়েটের ৯ জন ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশ আটক করেছে। এ ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উলস্নাহ বাদী চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে ১৯ জনকে। এছাড়া বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতিসহ কমিটির ১১ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের হত্যাকা-ের ঘটনার প্রাথমিক তদনেত্মর ভিত্তিতে তাদের বহিষ্কার করা হয়।