এফএনএস: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় চকবাজার থানায় দায়ের করা মামলার তদনেত্মর দায়িত্ব ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হসত্মানত্মর করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে মামলার তদনত্মভার হসত্মানত্মর করা হয়েছে, বলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
গতকাল মঙ্গলবার বিকালে মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হসত্মানত্মর করা হতে পারে বলে সকালে জানিয়েছিলেন চকবাজার থানার ওসি সোহরাব হোসেন। আবরার হত্যাকা-ের ঘটনায় তার বাবা বরকতুলস্নাহ গত সোমবার চকবাজার থানায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন। এর মধ্যে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন- বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, দ্বিতয়ি বর্ষ), সহসভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, দ্বিতয়ি বর্ষ), সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, চতুর্থ বর্ষ), তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, চতুর্থ বর্ষ), ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, চতুর্থ বর্ষ), উপসমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল (বায়ো মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং, তৃতীয় বর্ষ), সদস্য মুনতাসির আল জেমি (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, দ্বিতীয় বর্ষ), মো. মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ (ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, তৃতীয় বর্ষ) এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের খন্দকার তাবাখখারম্নল ইসলাম তানভির ও একই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না। গতকাল মঙ্গলবার তাদেরকে আদালতে পাঠিয়ে দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। রোববার রাত ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা হলের সিঁড়ি থেকে তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সহপাঠীদের বরাতে সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শিবির সন্দেহে ছাত্রলীগের কর্মীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।